শিরোনাম :
কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত কৃষকদের সুবিধার্থে ব্যর্থ চুক্তি বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে কুয়ালালামপুরে মালয়েশীয়দের বিক্ষোভ মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম বান্দুংয়ে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত ৮, নিখোঁজ ৮২

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

জাকার্তা: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভার পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ, আর ৮২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

শনিবার ভোর ২টা ৩০ মিনিটে পশ্চিম বান্দুংয়ের পাসির লাঙ্গু গ্রামে এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢাল ধসে পড়ে একাধিক আবাসিক এলাকা মাটির নিচে চাপা পড়ে বলে জানিয়েছে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি)।

সংস্থাটির দুর্যোগ তথ্য, যোগাযোগ ও জনসংযোগ বিভাগের প্রধান আবদুল মুহারি জানান, এ ঘটনায় ২৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৩৪টি পরিবারের অন্তত ১১৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরবাড়ির সঠিক সংখ্যা এখনও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা যাচাই করছেন।

ঘটনার পরপরই পশ্চিম বান্দুং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিপিবিডি) দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক মূল্যায়ন সম্পন্ন করে এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার (এসএআর) অভিযান শুরু করে।

আবদুল মুহারি জানান, বন্যা, আকস্মিক বন্যা, চরম আবহাওয়া ও ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে পশ্চিম বান্দুং জেলা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জরুরি সতর্কতা অবস্থায় থাকবে।

পশ্চিম জাভায় হাইড্রোমেটিওরোলজিক্যাল দুর্যোগের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কমাতে আবহাওয়া পরিবর্তন কার্যক্রম (ওএমসি) পরিচালনা করছে বিএনপিবি। তিনি বলেন, ১২ জানুয়ারি থেকে পশ্চিম জাভা ও জাকার্তায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যেখানে হালিম পারদানাকুসুমা বিমানঘাঁটি থেকে দুটি বিমান ব্যবহার করা হচ্ছে।

১৩ থেকে ২২ জানুয়ারির মধ্যে পশ্চিম জাভার আকাশে ৩২টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ৩২ হাজার কেজি বীজ উপাদান ছিটানো হয়েছে, আর জাকার্তায় ১৯টি ফ্লাইটে ১২ হাজার ৪০০ কেজি উপাদান ছড়ানো হয়েছে।

বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকর করতে শুক্রবার থেকে অতিরিক্ত দুটি ক্যারাভান বিমান যুক্ত করা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে এই কার্যক্রম বানতেন প্রদেশেও সম্প্রসারণ করা হতে পারে বলে জানান আবদুল মুহারি।

এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম পরিস্থিতির মধ্যেও নিখোঁজদের উদ্ধারে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »