শিরোনাম :
নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত কৃষকদের সুবিধার্থে ব্যর্থ চুক্তি বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে কুয়ালালামপুরে মালয়েশীয়দের বিক্ষোভ মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ কাম্পার ও কুয়ালা কাংসারে পৃথক ক্যাবল চুরির মামলায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ এয়ার ইটাম সশস্ত্র সংঘর্ষ: পেনাং এবং সেলাঙ্গরে অভিযানের পর গ্রেপ্তার আরও ১০

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী ও মানব পাচারবিরোধী অভিযানে ১১ শ্রীলঙ্কান নাগরিক আটক

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫

পেটালিং জায়া:  মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (JIM) একটি রেস্তোরাঁ ও বারে অভিযান চালিয়ে ১১ জন শ্রীলঙ্কান নাগরিককে আটক করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ৯ জন নারী এবং ২ জন পুরুষ রয়েছেন, যারা ঐ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

এই অভিযানটি একটি জনঅভিযোগ ও এক সপ্তাহব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারির পর পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনার জন্য অভিবাসন বিভাগের মানব পাচার ও অর্থপাচার প্রতিরোধ বিভাগ (ATIPSOM & AMLA), এবং গোপন গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযানের শাখা (PASTAK) থেকে ৪০ জন কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়।

অভিযানের সময় বিদেশি কর্মীরা ধরা পড়ার ভয়ে ভবনের উপরতলায় পালানোর চেষ্টা করেন। মোট ২০ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয় — যাদের মধ্যে ৮ জন মালয়েশিয়ান ও ১২ জন শ্রীলঙ্কান নাগরিক ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩ [ধারা ৬(১)(c) ও ১৫(১)(c)] লঙ্ঘন করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও গ্রাহকদের সাক্ষ্য দিতে নোটিশ (বরাং ২৯) প্রদান করা হয়েছে।

অভিযানে মানব পাচারের সম্ভাবনা মূল্যায়নে National Guideline on Human Trafficking Indicators (NGHTI) 2.0 অনুসরণ করে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, শ্রীলঙ্কান নারীদের উপর কোনো প্রকার শারীরিক বা মানসিক শোষণের প্রমাণ মেলেনি এবং ATIPSOM আইনের আওতায় কোনো অপরাধ ঘটেনি।

আটক নারীরা ২০ থেকে ৩৩ বছর বয়সী এবং তারা প্রায় এক বছর ধরে ঐ স্থানে মাসিক প্রায় RM2,000 বেতনে কাজ করছিলেন। তাদের মৌখিক স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তাদের পাসপোর্ট মালিকপক্ষের হেফাজতে ছিল। প্রতিষ্ঠানটির মূল ব্যবসায়িক কৌশল ছিল শ্রীলঙ্কান নারী কর্মীদের “পেলায়ান” হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গ্রাহকদের বিনোদন দেওয়া।

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রতিষ্ঠানটি অতীতেও একাধিকবার অভিযানের শিকার হয়েছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও বারংবার পুনরায় চালু হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত সবাইকে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য KLIA অভিবাসন হেফাজত কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মানব পাচার প্রতিরোধ আইন ২০০৭ [অ্যাক্ট ৬৭০], অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ [অ্যাক্ট ১৫৫], এবং পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ [অ্যাক্ট ১৫০]–এর আওতায় কোনো অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »