কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেট আজ মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন ৪৬তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন এবং সংশ্লিষ্ট শীর্ষ সম্মেলনগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য। প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী পিচ চানমোনি সহ উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বুংগা রায়া কমপ্লেক্সে অবতরণ করেন।
মালয়েশিয়ার অর্থমন্ত্রী দ্বিতীয় দাতুক সেরি আমির হামজা আজিজান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী হুন মানেটকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী একটি গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন, যা ফার্স্ট ব্যাটালিয়ন রয়্যাল রেঞ্জার রেজিমেন্টের ২৮ জন অফিসার ও সৈনিক নিয়ে গঠিত ছিল এবং ক্যাপ্টেন জে. লিঙ্গেসরি রাও এর নেতৃত্বে ছিল।
৪৬তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন আগামী ২৬ ও ২৭ মে কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো “অন্তর্ভুক্তি ও স্থায়িত্ব”। সম্মেলনে আসিয়ান সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতারা আঞ্চলিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন এবং আসিয়ানের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা নির্ধারণ করবেন। সম্মেলনে “আসিয়ান কমিউনিটি ভিশন ২০৪৫” গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা একটি সহনশীল, উদ্ভাবনী, গতিশীল ও জনগণকেন্দ্রিক আসিয়ান গঠনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবে।
এই সম্মেলনের পাশাপাশি ২৬ ও ২৭ মে আরও দুটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে: দ্বিতীয় আসিয়ান-গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) শীর্ষ সম্মেলন এবং প্রথম আসিয়ান-জিসিসি-চীন শীর্ষ সম্মেলন। এই বৈঠকগুলোতে জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতৃবৃন্দ এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং অংশগ্রহণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী হুন মানেটের সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক সোখোন্ন, অন্যান্য মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা। এছাড়াও, কম্বোডিয়া চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নেয়াক অকনা কিথ মেং-এর নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলও অংশ নিচ্ছে। তারা আসিয়ান বিজনেস অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল মিটিং, আসিয়ান-জিসিসি-চীন সিইও রাউন্ডটেবিল এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।
এই সম্মেলনগুলো আসিয়ান ও জিসিসি দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।