শিরোনাম :
গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে কুয়ালালামপুরে মালয়েশীয়দের বিক্ষোভ মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ কাম্পার ও কুয়ালা কাংসারে পৃথক ক্যাবল চুরির মামলায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ এয়ার ইটাম সশস্ত্র সংঘর্ষ: পেনাং এবং সেলাঙ্গরে অভিযানের পর গ্রেপ্তার আরও ১০ ACC to seek UAE data on Dubai assets of 73 Bangladeshis ইন্দোনেশিয়ায় মালয়েশীয় সহকারী পাইলট গ্রেফতার: দেশজুড়ে অভিযানে ৬ সহযোগী আটক মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ৯৯% কেবিন ক্রু মাদকমুক্ত: পরীক্ষা সম্পন্ন মালয়েশিয়ায় বিমানবন্দর নিরাপত্তায় বড় উদ্যোগ, নতুন নিয়মে কড়াকড়ি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার রাজার সাক্ষাৎ

রাখাইনে সংঘর্ষে জান্তা বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নিহত

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বন্দরনগরী কিয়াকফিউয়ের কাছে সামরিক সরকার ও আরাকান আর্মির (্এএ) মধ্যে তুমুল  সংঘর্ষে জান্তার একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নিহত হয়েছেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যমজানিয়েছে, গত সোমবার কিয়াকফিউ-রাম্রি সড়কের পাশে প্যাইং সি কে গ্রাম–সংলগ্ন এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১১ নম্বর ডিভিশনের কৌশলবিদ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিয়াও মিও অং এবং একজন সেনা ক্যাপ্টেন গুলিবিদ্ধ হন।

পরে মারা যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিয়াও মিও আউং। মঙ্গলবার তার মরদেহ একটি বিশেষ উড়োজাহাজে ইয়াঙ্গুনে পাঠানো হয়েছে। তবে গুলিবিদ্ধ ক্যাপ্টেন মারা গেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাখাইনের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কিয়াউকফিউ অঞ্চলে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া কিয়াকফিউ শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে কিয়াকফিউ-রাম্রি সড়কের পিয়াং সি কে গ্রামের আশেপাশে এখন লড়াই চলছে। আরাকান আর্মি পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর রক্ষাকারী বেশ কয়েকটি জান্তা অবস্থান দখল করেছে।

কিয়াকফিউ শহর রক্ষায় জান্তা সরকার বিমান, নৌ ও স্থলপথে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। শহরটিতে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রকল্প রয়েছে চীনের। এসব প্রকল্প রক্ষায় সেখানে নিয়োজিত চীনা বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোও ড্রোন হামলায় জান্তা সেনাদের সহায়তা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরাবতির প্রতিবেদন অনুসারে, গত ফেব্রুয়ারিতে জান্তা সরকার বেসরকারি নিরাপত্তা পরিষেবা আইন প্রণয়ন করে। এর অধীনে চীনের সশস্ত্র নিরাপত্তা কর্মীদের ‘বেইজিংয়ের স্বার্থ রক্ষার জন্য’ মিয়ানমারে কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়। ফেব্রুয়ারি থেকে চীনা কর্মীরা কিয়াকফিউতে এসেছেন। ভারত মহাসাগরে প্রবেশাধিকার পেতে অঞ্চলটিতে একটি প্রধান বন্দর তৈরি করছে চীন।

 

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »