শিরোনাম :
মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ কাম্পার ও কুয়ালা কাংসারে পৃথক ক্যাবল চুরির মামলায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ এয়ার ইটাম সশস্ত্র সংঘর্ষ: পেনাং এবং সেলাঙ্গরে অভিযানের পর গ্রেপ্তার আরও ১০ ACC to seek UAE data on Dubai assets of 73 Bangladeshis ইন্দোনেশিয়ায় মালয়েশীয় সহকারী পাইলট গ্রেফতার: দেশজুড়ে অভিযানে ৬ সহযোগী আটক মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ৯৯% কেবিন ক্রু মাদকমুক্ত: পরীক্ষা সম্পন্ন মালয়েশিয়ায় বিমানবন্দর নিরাপত্তায় বড় উদ্যোগ, নতুন নিয়মে কড়াকড়ি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার রাজার সাক্ষাৎ মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সাক্ষাৎ

যুদ্ধবিরতির পর লেবাননে ১০৩ বেসামরিক নিহতের ঘটনা নিশ্চিত করল জাতিসংঘ

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫

জেনেভা, ২ অক্টোবর: গত বছরের নভেম্বরে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে এখন পর্যন্ত লেবাননে অন্তত ১০৩ জন বেসামরিক মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ। বুধবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর চলমান হামলা বন্ধ করে স্থায়ী শান্তির আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার তুর্ক বলেন,
“যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননের আবাসিক এলাকায় নিয়মিত বিমান ও ড্রোন হামলা চলছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ এখনো ভয়াবহ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। পরিবারগুলো তাদের ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ তো দূরের কথা, প্রতিদিন নতুন হামলার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, শত শত বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপাসনালয়সহ বহু বেসামরিক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

জাতিসংঘ জানায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তবর্তী বিন্ত জবেইল এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় পাঁচজন নিহত হন, যাদের মধ্যে তিনজন শিশু ছিল। এছাড়া বুধবারও লেবাননের দক্ষিণে এক ইসরায়েলি হামলায় একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাতিসংঘের হিসাবে, চলমান সংঘাতের কারণে লেবাননে এখনো ৮০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। পাশাপাশি উত্তর ইসরায়েল থেকেও প্রায় ৩০ হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

জাতিসংঘ বলেছে, যুদ্ধবিরতির শর্ত বাস্তবায়নই স্থায়ী শান্তির একমাত্র পথ। তুর্ক জোর দিয়ে বলেন,
“যেকোনো পরিস্থিতিতেই বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোর সুরক্ষা দিতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ভঙ্গ করে সামরিক অভিযানের কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়।”

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »