মালয়েশিয়ায় অনিয়মিত বিদেশী শ্রমিকদের বৈধকরণ প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপের রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম আর টি কে ২.০ (RTK 2.0) এর কার্যক্রম চলছে। পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন করে বৈধতা গ্রহণ করতে গেলে ২৭ জন বাংলাদেশী শ্রমিকদের গ্রেফতার করেন দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয় তারা পাসপোর্টের তথ্য বেআইনীভাবে সংশোধন ও পরিবর্তন করেছেন। মালয়েশিয়ায় একবার বৈধতা গ্রহণ করার পর পাসপোর্টের যাবতীয় তথ্য ও আঙুলের ছাপ ইমিগ্রেশন সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। যদি দ্বিতীয় বার আঙুলের ছাপ দিলেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তার যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য কম্পিউটার মনিটরে ভেসে আসে। এই ২৭জন বৈধতা গ্রহণের জন্য দ্বিতীয় বার ফিঙ্গার প্রিন্ট করার পর ইমিগ্রেশন আসলে তাদের আগের সকল তথ্য চলে আসে। তাতে দেখা যায় ঐ শ্রমিকরা প্রথমবার বৈধতা গ্রহণের সময় যে পাসপোর্টের জমা দিয়েছিলেন ঐ তথ্যের সাথে নবায়ণ করা নতুন পাসপোর্টের তথ্যে গড়মিল রয়েছে, এটা এক ধরনের জালিয়াতি ও প্রতারণা। মালয়েশিয়ায় অনুমতি ছাড়া আগের পাসপোর্টের কোনো তথ্য সংশোধন বা পরিবর্তন করে নতুন পাসপোর্ট রিনিউ করা যাবে না এবং এ রকম জালিয়াতি করার প্রমাণ পাওয়া গেলে জেল জরিমানা হতে পারে ।
এই সময় যে কোম্পানির মালিকের মাধ্যমে বৈধতা গ্রহণ করেতে এসেছিলেন সে স্থানীয় এক নারী। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছেন ইমিগ্রেশন পুলিশ। তারা 39 বছর বয়সী। তাকে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৫৬(1A)(a) এর অধীনে একটি অপরাধ করার অভিযোগে আটক করেছে এবং বাংলাদেশী ২৭ জনকে তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।