গাজা সিটি, ৩ সেপ্টেম্বর : ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস অভিযোগ করেছে যে ইসরায়েলি সেনারা গাজা সিটির আবাসিক এলাকাগুলোতে বিস্ফোরকবাহী রোবট ব্যবহার করে পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। হামাস একে “গণহত্যার অংশ” এবং আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে আখ্যা দিয়েছে।
হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি সেনারা চলমান “অপারেশন গিডিওন চারিওটস II” অভিযানের অংশ হিসেবে শহরের প্রায় এক মিলিয়ন আশ্রয়প্রার্থীর উপর নির্বিচার আক্রমণ চালাচ্ছে। এতে একদিকে তীব্র বিমান হামলা চলছে, অন্যদিকে আবাসিক এলাকায় বিস্ফোরকভর্তি রোবট পাঠিয়ে সেগুলো উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬৩,৫০০-র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। হামাস জানিয়েছে, এই হত্যাযজ্ঞ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর “জাতিগত নিধন” পরিকল্পনার অংশ।
মঙ্গলবারের হামলায় গাজা সিটিতে আল-আফ পরিবারে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। অন্যদিকে খান ইউনিসে পানির ক্যান ভর্তি করতে যাওয়া সাত শিশুসহ ১১ জন ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।
হামাস জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে হত্যাযজ্ঞ বন্ধ ও অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের “অপরাধের সহযোগী” হিসেবে উল্লেখ করেছে, কারণ ওয়াশিংটন এই যুদ্ধে ইসরায়েলকে অভূতপূর্ব সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।