মালয়েশিয়ায় ভুয়া চিকিৎসক সেজে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগে এক পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
গত ২৫ জুন সেলাঙ্গরের সুবাং বেস্তারিতে বিশেষ অভিযানে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এক মাসের গোয়েন্দা নজরদারির পর পুত্রজায়ার গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগ এই অভিযান চালায়।
অভিযান শুরু হয় স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৫২ মিনিটে। অভিযানে একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ক্লিনিকটি অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহার করা হচ্ছিল।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে অবস্থানের কোনো ইমিগ্রেশন পাস বা ভ্রমণ নথি দেখাতে পারেননি।
অভিযানে চিকিৎসা সরঞ্জাম, সন্দেহভাজনের নামের সিল, ক্লিনিকের সিল, ইলেকট্রনিক ট্যাবলেট, লেনদেনের নথি, বার্ষিক চিকিৎসা অনুশীলন সনদ বা এপিসি এবং কোম্পানি–সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা বলছেন, ক্লিনিকটি একজন বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে পরিচালনা করছিলেন। রোগীদের বিভ্রান্ত করতে অন্য একজনের চিকিৎসক পরিচয় ও পেশাগত সনদ ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া কোনো ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই রোগীদের মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়া হতো। প্রতিটি সনদের জন্য নেওয়া হতো ২০ রিঙ্গিত। প্রায় আট মাস ধরে এ কার্যক্রম চলছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় অভিবাসন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে। তদন্তে সহায়তার জন্য এক মালয়েশীয় নারীকে তলব করেছে কর্তৃপক্ষ।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।