শিরোনাম :
সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত

ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় ক্রমবর্ধমান ভর্তুকির ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থ ব্যয়ে আরও শৃঙ্খলা আনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি বলেছেন, যেকোনো সমস্যার সমাধানে শুধু বরাদ্দ বাড়িয়ে যাওয়ার নীতি দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই নয়।

আজ মঙ্গলবার পুত্রজায়ায় প্ল্যান্টেশন ও কমোডিটিজ মন্ত্রণালয়ের মাসিক সমাবেশে বক্তব্য দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। এ সময় তিনি বলেন, উচ্চ ভর্তুকি ব্যয়ের কারণে সরকারকে সরকারি অর্থ ব্যবহারে আরও সতর্ক ও শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে হবে।

আনোয়ার বলেন, সরকার ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ বিলিয়ন রিঙ্গিত ভর্তুকি দিয়েছে। এত বড় অঙ্কের ব্যয়ের পরও যদি প্রতিটি সমস্যার সমাধানে শুধু নতুন বরাদ্দ বাড়ানো হয়, তাহলে এই ধারা কত দিন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেই অর্থ জনগণের জন্য বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য ফল বয়ে আনছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। শুধু বছর বছর বাজেটের বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না; জনগণের জীবনে তার কার্যকর প্রভাব থাকতে হবে।

মালয়েশিয়ায় পেট্রল ও ডিজেল ভর্তুকির ব্যয় বর্তমানে সরকারের ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি করেছে। তবে ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জনগণের কল্যাণেও সহায়তা অব্যাহত রাখছে সরকার। সম্প্রতি সরকারের আরওএন৯৫ কর্মসূচির আওতায় মাসিক জ্বালানি সুবিধার সীমা ২০০ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৩০০ লিটার করা হয়েছে। এতে ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি ব্যবহারকারী উপকৃত হবেন।

আনোয়ার আরও স্বীকার করেন, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে এখনো অনেক মালয়েশীয় সমস্যায় রয়েছেন। গত মাসে সরকার ছয়টি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিলেও সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমাতে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

২০২৭ সালের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এই বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকার একদিকে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে চায়, অন্যদিকে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতাও ধরে রাখতে চায়।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »