শিরোনাম :
কাম্পার ও কুয়ালা কাংসারে পৃথক ক্যাবল চুরির মামলায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ এয়ার ইটাম সশস্ত্র সংঘর্ষ: পেনাং এবং সেলাঙ্গরে অভিযানের পর গ্রেপ্তার আরও ১০ ACC to seek UAE data on Dubai assets of 73 Bangladeshis ইন্দোনেশিয়ায় মালয়েশীয় সহকারী পাইলট গ্রেফতার: দেশজুড়ে অভিযানে ৬ সহযোগী আটক মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ৯৯% কেবিন ক্রু মাদকমুক্ত: পরীক্ষা সম্পন্ন মালয়েশিয়ায় বিমানবন্দর নিরাপত্তায় বড় উদ্যোগ, নতুন নিয়মে কড়াকড়ি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার রাজার সাক্ষাৎ মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সাক্ষাৎ ভারতে ৩.৪৫ কেজি হাইড্রোফোনিক ক্যানাবিসসহ মালয়েশীয় নাগরিক গ্রেপ্তার মালয়েশিয়ায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ৩১ ইন্দোনেশীয় আটক

“কেএলে অবৈধ রেসিং দমনে অভিযান: ২৬ মোটরসাইকেল জব্দ, ২৮৩টি সমন জারি”

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

কুয়ালালামপুর, ১৫ এপ্রিলRoad Transport Department Malaysia (জেপিজে) রাজধানীতে অবৈধ স্ট্রিট রেসিং দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৬টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে এবং ২৮৩টি সমন জারি করেছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোর ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত Duta–Ulu Kelang Expressway (ডিউক) মহাসড়কে এই অভিযান পরিচালিত হয়। জনসাধারণের ধারাবাহিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেপিজের ফ্যালকন ইউনিট এই অভিযান চালায়।

কুয়ালালামপুর জেপিজে পরিচালক Hamidi Adam জানান, এই সমন্বিত অভিযানে Royal Malaysia Police, Malaysian Highway Authority এবং মহাসড়ক পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান KESTURI অংশ নেয়।

তিনি বলেন, Batu Muda, Greenwood এবং Sri Gombak এলাকাগুলোকে অবৈধ রেসিংয়ের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, বিশেষ করে সপ্তাহান্তে।

“প্রধান অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বড় ধরনের জমায়েতের মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা, মহাসড়ককে রেসিং ট্র্যাক হিসেবে ব্যবহার, বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানো এবং অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি,” তিনি বলেন।

তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, ১৩ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরদেরও এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে দেখা গেছে, যা অনেক ক্ষেত্রে তাদের অভিভাবকের অজানা।

অভিযানের সময় বিভিন্ন গুরুতর আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়ে, যার মধ্যে রয়েছে সাইড মিরর না থাকা, সঠিকভাবে নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন না করা, অন্য গাড়ির নম্বর ব্যবহার, অবৈধ “ফ্যান্সি” নাম্বার প্লেট, অতিরিক্ত পরিবর্তিত এক্সহস্ট, পিছনের ব্রেক না থাকা এবং ইঞ্জিন নম্বর অনুপস্থিত থাকা।

“কিছু ব্যক্তি আক্রমণাত্মক আচরণ করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে পালানোর চেষ্টা করেছে,” তিনি যোগ করেন।

জেপিজে জানায়, এসব মোটরসাইকেল অবৈধ রেসিংয়ের জন্য পরিবর্তন করতে প্রায় RM10,000 পর্যন্ত খরচ করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন ১৯৮৭ অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড শুধু আইন ভঙ্গই নয়, বরং জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

জেপিজে আরও জানায়, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে, যাতে ডিউক মহাসড়ক ও আশপাশের এলাকা নিরাপদ রাখা যায়।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »