শিরোনাম :
সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত

লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা, লালাপোর্টে গেমিং সেন্টার বন্ধ করল ডিবিকেএল

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

রাজধানীর লালাপোর্ট বুকিত বিনতাং এলাকায় বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ গেমিং সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে কুয়ালালামপুর সিটি হল-ডিবিকেএল। একই সঙ্গে তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ এবং ছয়টি কম্পাউন্ড জরিমানা নোটিশ জারি করা হয়েছে।

গত ১৫ জুলাই জালান হাং তুয়াহ এলাকার লালাপোর্ট বুকিত বিনতাংকে কেন্দ্র করে পরিচালিত ‘স্পেশাল প্রিমাইসেস এনফোর্সমেন্ট অপারেশন (এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড গেমিং সেন্টারস) সিরিজ অভিযান চালানো হয়।

ডিবিকেএল জানায়, অভিযানে তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই পারিবারিক বিনোদনকেন্দ্র ও গেমিং সেন্টার পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ছাড়া লাইসেন্সের শর্ত এবং কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত মানসম্মত পরিচালনা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠে আসে।

পরিদর্শন শেষে একটি গেমিং সেন্টার তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকেই বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের দায়ে ছয়টি কম্পাউন্ড নোটিশও জারি করা হয়েছে।

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বৈধ বিনোদন লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা, বৈধ ব্যবসায়িক লাইসেন্স ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা এবং অনুমোদিত লাইসেন্সের শর্তের বাইরে কার্যক্রম পরিচালনা।

ডিবিকেএল জানায়, ট্রেড, বিজনেস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইসেন্সিং বাই-লজ (ফেডারেল টেরিটরি অব কুয়ালালামপুর) ২০১৬, এন্টারটেইনমেন্ট রুলস (ফেডারেল টেরিটরি অব কুয়ালালামপুর) ১৯৯৩ এবং এন্টারটেইনমেন্ট অ্যাক্ট (ফেডারেল টেরিটরি অব কুয়ালালামপুর) ১৯৯২ অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জব্দ করা সব সরঞ্জাম ডিবিকেএলের জব্দকৃত মালামাল সংরক্ষণাগারে পাঠানো হয়েছে। সেগুলোর নথিভুক্তিকরণ শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিবিকেএল জানিয়েছে, রাজধানীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স সংক্রান্ত বিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অবৈধ ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য বা অভিযোগ থাকলে নাগরিকদের ডিবিকেএলের নির্ধারিত অভিযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে জানাতে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »