শিরোনাম :
সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত

চীন–মালয়েশিয়া সফরে বাংলাদেশের কী অর্জন?

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরেই কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখছে বাংলাদেশ। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শ্রমবাজার এবং দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো সহযোগিতা।

সফরের প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে ২০২৪ সালে আরোপিত নিয়োগ সীমাবদ্ধতা তুলে নিয়ে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে অনিয়মিত অবস্থায় থাকা বাংলাদেশিদের বৈধতা দেওয়া, আটক ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানো এবং স্বচ্ছ ও নৈতিক নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা নিয়ে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। পাশাপাশি সম্ভাব্য বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। উৎপাদনশিল্প, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নেও সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছে মালয়েশিয়া।

অন্যদিকে, চীন সফরকে সবচেয়ে ফলপ্রসূ হিসেবে দেখছে সরকার। সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সবুজ প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি সম্পদ ও অবকাঠামো খাতে একাধিক সমঝোতা হয়।

বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে—বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়িয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনের আগ্রহকে। বিশেষ করে চামড়া, ওষুধ, মৎস্য ও কৃষিপণ্য রপ্তানির সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিস্তা প্রকল্পেও নতুন গতি এসেছে। নদী ব্যবস্থাপনা, পানি সম্পদ উন্নয়ন ও পরিবেশগত স্থায়িত্বে দুই দেশ কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক অঞ্চল, বন্দর উন্নয়ন এবং শিল্প অবকাঠামোয় চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই সফর বাংলাদেশের বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতির ইঙ্গিত দিচ্ছে যেখানে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়িয়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনই এখন মূল অগ্রাধিকার। তবে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এই প্রতিশ্রুতিগুলোকে বাস্তব বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সুফলে রূপ দেওয়া।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »