লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েনে অনুষ্ঠিত আসিয়ান বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনবিষয়ক ২২তম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক (এএমএমএসটিআই-২২) শেষে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ২০২৭ সালের জুনে অনুষ্ঠেয় ২৩তম বৈঠকের (এএমএমএসটিআই-২৩) আয়োজক হবে মালয়েশিয়া।
এক সভায় মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনমন্ত্রী চ্যাং লিহ কাং। তিনি বলেন, আঞ্চলিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদারে উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন উদ্যোগে নেতৃত্ব দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ মালয়েশিয়া। এসব উদ্যোগের সুফল আসিয়ানের প্রায় ৭০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাবে।
চ্যাং লিহ কাং বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন এখন আসিয়ানের সহনশীলতা বাড়ানো, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ও জলবায়ুজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
এছাড়া বৈঠকে ‘এআই–সক্ষম প্রতিযোগিতামূলক ও সহনশীল অঞ্চল’ প্রতিপাদ্যে আসিয়ান এসটিআই ফান্ড (এএসটিআইএফ) ২০২৬–এর প্রস্তাব আহ্বান কর্মসূচি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বাড়িয়ে আঞ্চলিক সমস্যা সমাধান ও ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করা।
এমনকি ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান–কোরিয়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং (এইচপিসি) সুবিধার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুকে স্বাগত জানানো হয়। ৪ দশমিক ২ পেটাফ্লপস সক্ষমতার এ অবকাঠামো আসিয়ানের প্রথম যৌথ আঞ্চলিক সুপারকম্পিউটিং সুবিধা।
এদিকে, বৈঠকে আরেকটি সাফল্য অর্জন করেছে মালয়েশিয়া। ইউনিভার্সিটি মালয়ার চ্যান জি অন ও ইউনিভার্সিটি মালয়া–জুঝৌ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির যৌথ দল চীন–আসিয়ান উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা প্রতিযোগিতার দলীয় বিভাগে শিরোপা জিতেছে। তাদের ‘ইউকেয়ার মেডিকেল টেকনোলজি’ প্রকল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্মার্ট হোম পুনর্বাসন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে।
২০২৭ সালে বৈঠকের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন মন্ত্রণালয় ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ উন্নয়ন, ডিপ টেক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আসিয়ানের অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব দেবে।