শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন স্থায়ী কমিটির বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন নিষ্পত্তিতে এক মাসের সময়, রেস্তোরাঁ খাতকে অগ্রাধিকার: আনোয়ার ইসরায়েল নীতিতে পরিবর্তন নেই, মার্কিন আইনপ্রণেতাদের চাপের জবাব মালয়েশিয়ার ভর্তুকি ও সহায়তায় সরকারের বিপুল ব্যয়ের কথা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম জোহর বাহরুতে এক সপ্তাহে ১৭৯ অভিবাসন বন্দী নিজ দেশে ফেরত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার President Shahabuddin resigns citing ill health Bangladeshi Worker Pleads Not Guilty to Fatal Reckless Driving Charge in Malaysia Modi vows tougher action against paper leaks, says issue affects millions of students জোহরের মালয় ভোটারদের সঙ্গে নেগেরি সেম্বিলানের ভোটারদের তুলনা নয়: আমিনুদ্দিন হারুন

বিএনপি কোথা থেকে এত টাকা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০২৩

বিএনপির ধারাবাহিক সভা-সমাবেশ এবং আন্দোলনের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমার প্রশ্ন, কোথা থেকে এত টাকা পাচ্ছে? যত চুরি করা টাকা ছিল, সেগুলো এখন বেরোচ্ছে? এক একটি মিটিং করতে যে টাকা খরচ করছে, সেগুলো কোথা থেকে আসছে?’

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে কৃষক লীগের রক্তদান কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় এসব প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘আওয়ামী লীগ পালাবার পথ পাবে না’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ কোনো দিন পালায়নি। জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়া চেষ্টা করেও শেষ করে দিতে পারেনি আওয়ামী লীগকে। তাদের দোসর জামায়াত, এতকিছু করেও তাদের শেষ রক্ষা হয়নি। ২০০৭ সালে মুচলেকা দিয়ে দেশত্যাগ করেছিল তারেক জিয়া। সেই পলাতক আসামি বলেন, আমরা না কি পালানোর পথ খুঁজে পাব না। আরে তোরা তো পালিয়ে আছিস! পলাতক আসামির মুখে এত বড় কথা আসে কোথা থেকে?

২০০১ সালের পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির দমন-পীড়ন এবং ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে অগ্নিসংযোগের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, আমরা যদি এর এক শতাংশও প্রতিশোধ নিতাম, তাহলে এখন আপনার হদিস পাওয়া যেত না। কিন্তু আমরা প্রতিশোধে বিশ্বাস করি না। আমরা তাদের (বিএনপি) রাজনীতি করার জন্য কোনো বাধা বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি নেতাদের মনে রাখা উচিত যে, খালেদা জিয়াকে ভোট কারচুপির অভিযোগে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ৪৫ দিনও তিনি ক্ষমতায় থাকতে পারেননি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি ২০০৬ সালে ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার নিয়ে আরেকটি নির্বাচনের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্বাচন বাতিল করা হয়েছিল। তাদের অপকর্মের কারণে দুটি নির্বাচন বাতিল হয়।

কৃষক লীগের আলোচনা সভায় বিএনপির সঙ্গে বর্তমান সরকারের তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার মতো গণহত্যা চালিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। আওয়ামী লীগের প্রায় ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়, অনেককে নির্যাতন করা হয়, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, দখল করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা টিকতে পারেনি। অথচ আওয়ামী লীগ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং সহনশীলতা দেখাচ্ছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, মা-বাবা ও ভাইকে হারিয়ে এ দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের প্রত্যয় নিয়ে এসেছি।

এ সময় বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যাতে বাজি খেলতে না পারে সেজন্য তিনি আওয়ামী লীগের সব সহযোগী সংগঠনকে কাজ করার নির্দেশ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাসে প্রথম একটা স্থিতিশীল অবস্থা বাংলাদেশে বিরাজমান। যে কারণে আজকে উন্নয়নশীল বাংলাদেশের মর্যাদা পেয়েছে। আমরা খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে দিয়েছি, অথচ বিএনপি এটি চায়নি। তারা হাত পাততেই পছন্দ করে। এতেই তাদের লাভ। কিন্তু আমরা ভিক্ষুক জাতি হতে চাই না। আমার মাটি, সোনার মাটি, উর্বর মাটি। বীজ ফেললেই গাছ হয়, সে দেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে কেন?

কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোশাররফ হোসেন, মতিয়া চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »