শিরোনাম :
সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত

ইউরোপকে যুদ্ধে ঠেলে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

হাঙ্গেরির ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট ভিক্তর অরবান বলেছেন, ইউরোপকে যুদ্ধে ঠেলে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে ব্রাসেলস (ন্যাটোর সদর দপ্তর) ও ওয়াশিংটনে।

শুক্রবার হাঙ্গেরির স্থানীয় গণমাধ্যম কোসুথ রেডিওকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। তিনি এ সময়, ব্রাসেলসে ন্যাটোর প্রস্তুতি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগের প্রস্তুতির সঙ্গেও তুলনা করেন।

অরবান বলেন, ‘আজ ব্রাসেলস ও ওয়াশিংটনে যা কিছু ঘটছে—বিশেষ করে ওয়াশিংটনের চেয়ে ব্রাসেলসে বেশি ঘটছে—তা মূলত একধরনের সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের পূর্বপ্রস্তুতি। আপনি যদি সহজ ভাষায় এটিকে বলতে চান তাহলে আপনি বলতে পারেন, ইউরোপকে যুদ্ধে ঠেলে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

এ সময় হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ ফলাফল হবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাত। আর এই সংঘাতে পারমাণবিক অস্ত্রও ব্যবহৃত হতে পারে এবং এর ফলাফল হবে খুবই ভয়াবহ। এ সময় অরবান প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কেউ আমাকে বলুন কেন এই সংঘাতকে দূরে ঠেলে দেয়ার পরিবর্তে আমরা এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে বেছে নিচ্ছি?’

ন্যাটোর উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে অরবান বলেন, এই জোট সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আক্রমণকারীদের হাত থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিল, বাইরের কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য নয়। ইউক্রেনকে পরাজিত করার পর রাশিয়া ইউরোপ আক্রমণ করতে পারে—এমন পশ্চিমা দাবির বিষয়ে মন্তব্য করে অরবান বলেন, এমনটা হওয়ার আশঙ্কা অত্যন্ত ক্ষীণ এবং এ ধরনের অজুহাত কেবল ইউক্রেন সংঘাতে সরাসরি জড়িত হওয়ার পটভূমি তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়।

ন্যাটো জোটে হাঙ্গেরির অবস্থান ব্যক্ত করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন ন্যাটোতে হাঙ্গেরির অবস্থান বর্ণনা করার জন্য একটি নতুন শব্দ উদ্ভাবন করা হয়েছে, এটিকে অ-অংশগ্রহণ (নন-পার্টিসিপেন্ট) বলা হয়। আমরা এখন আর ন্যাটোতে সরাসরি অংশগ্রহণকারী দেশ নই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি ন্যাটোতে অবাঞ্ছিত বলে পরিগণিত হই, তাহলে ন্যাটোর সামরিক কাঠামোতে আমাদের অংশগ্রহণ, আমাদের অবস্থান, পরিবর্তিত হবে।’

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »