মালয় ভোটের ক্ষেত্রে জোহর ও নেগেরি সেম্বিলানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এক নয়। তাই দুই রাজ্যের মালয় ভোটারদের সরাসরি তুলনা করা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন নেগেরি সেম্বিলানের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী ও পাকাতান হারাপান (পিএইচ) রাজ্য চেয়ারম্যান আমিনুদ্দিন হারুন।
শুক্রবার (২২ জুলাই) এখানে জুমার নামাজ আদায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত জনগণই তাঁদের ভোটের মাধ্যমে নিজেদের রায় দেবেন।
আমিনুদ্দিন বলেন, ‘আমরা বিষয়টি ভোটারদের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি। জোহর ও নেগেরি সেম্বিলানের ভোটারদের তুলনা করা উচিত নয়। তাঁরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।’
পাকাতান হারাপানের প্রতি ভোটারদের সমর্থন এখনো রয়েছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আগামী সপ্তাহে নির্বাচনী প্রচারণা আরও জোরদার করা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের রাজ্য নির্বাচন পরিচালক। তবে প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে হবে।
নেগেরি সেম্বিলান রাজ্য নির্বাচনে আমিনুদ্দিন লিঙ্গি আসন থেকে বারিসান ন্যাশনালের (বিএন) প্রার্থী মোহাম্মদ ফাইজাল রামলির বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর আগে শুক্রবার আমনো নেতা খাইরি জামালুদ্দিন বলেন, মালয় ভোটারদের সমর্থন না পাওয়ার জন্য অন্য দলকে দোষারোপ না করে পাকাতান হারাপানের নিজেদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক জোহর রাজ্য নির্বাচনে পাকাতান হারাপানের প্রার্থীদের পারফরম্যান্স নিয়ে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, তাঁরা মালয় ভোটারদের ১০ শতাংশেরও কম ভোট পেয়েছেন।
খাইরি বলেন, ‘জোহরে আমি একটি গবেষণার ফল পেয়েছি। সেখানে দেখা গেছে, পাকাতান হারাপানের প্রার্থীরা মালয় ভোটারদের ১০ শতাংশ ভোটও পাননি। তাই অন্যদের দোষারোপ করার আগে পাকাতান হারাপানের নিজেদের দিকে তাকানো উচিত।’
নেগেরি সেম্বিলান রাজ্য নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন আগামী ১ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।