শিরোনাম :
কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত কৃষকদের সুবিধার্থে ব্যর্থ চুক্তি বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে কুয়ালালামপুরে মালয়েশীয়দের বিক্ষোভ মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ

মালয়েশিয়ায় জাল পাসপোর্ট চক্রের মূলহোতাসহ তিনজন আটক

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) রাজধানী কুয়ালালামপুরে অভিযান চালিয়ে জাল পাসপোর্ট তৈরির সঙ্গে জড়িত আরেকটি চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তিন ইন্দোনেশীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে চক্রটির মূলহোতা বলে সন্দেহ করছে কর্তৃপক্ষ।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানায়, ৪ আগস্ট রাত ১১টার দিকে কুয়ালালামপুরের তামান শ্রী কুচিং ও তামান বুকিত চেরাস এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রায় এক মাসের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে পুত্রাজায়ায় অভিবাসন বিভাগের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখা এ অভিযান চালায়।

অভিযানে একটি আবাসিক ভবনে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সী তিন ইন্দোনেশীয় নাগরিককে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে একজন পুরুষকে চক্রটির মূলহোতা এবং অপর এক পুরুষ ও এক নারীকে চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মূলহোতা হিসেবে সন্দেহভাজন ব্যক্তি নির্মাণ খাতের অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস নিয়ে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন। অন্য দুইজনের ভিসার মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেলেও তারা দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করছিলেন।

অভিযানের সময় বিভিন্ন দেশের মোট ১১৯টি সন্দেহভাজন জাল পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ৮৫টি ইন্দোনেশিয়ার, সাতটি বাংলাদেশের, ২২টি মিয়ানমারের, দুটি ভিয়েতনামের, একটি নেপালের এবং দুটি ভারতের পাসপোর্ট। এছাড়া একটি প্রিন্টার, কয়েকটি মোবাইল ফোন এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের আয় বলে সন্দেহ করা এক হাজার ৫০০ রিঙ্গিত নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগের তথ্যমতে, চক্রটি মূলত ক্লাং ভ্যালির বিদেশি শ্রমিকদের টার্গেট করত, যারা স্বাস্থ্য পরীক্ষায় আনফিট হতেন। পরে তাদের পাসপোর্টে অবৈধভাবে তথ্য পরিবর্তন বা জালিয়াতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হতো।

প্রতিটি জাল পাসপোর্টের জন্য চক্রটি ৮০ থেকে ১৩০ রিঙ্গিত পর্যন্ত অর্থ আদায় করত বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের শুরু থেকে চক্রটি সক্রিয় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই কৌশলে পরিচালিত চক্রের বিরুদ্ধে এটি পঞ্চম সফল অভিযান।

গ্রেপ্তার হওয়া মূলহোতার বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ১২(১)(এফ) ধারায় এবং অপর দুইজনের বিরুদ্ধে একই আইনের ৬(১)(সি) ধারায় তদন্ত চলছে। তাঁদের আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুত্রাজায়া অভিবাসন কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান বলেন, দেশের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় আইনবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »