পর্যাপ্ত অর্থ না থাকা এবং সন্দেহজনক আবাসন বুকিংসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে মালয়েশিয়ার পর্যটক হিসেবে আসা ১৩১ জন বিদেশিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KLIA) টার্মিনাল ১-এ প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, বলে জানিয়েছে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থা (AKPS)।
গত শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে রবিবার রাত ১০টা পর্যন্ত KLIA-র আন্তর্জাতিক আগমন হল এবং C1 থেকে C37 নম্বর গেট পর্যন্ত পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে ৩০০-এর বেশি বিদেশি নাগরিককে যাচাই-বাছাই করে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা।
AKPS জানিয়েছে, ৯৬ জন বাংলাদেশি পুরুষ, ৩০ জন পাকিস্তানি পুরুষ এবং ৫ জন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক (চারজন পুরুষ ও একজন নারী) প্রবেশের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন।
প্রবেশ শর্ত লঙ্ঘনের যেসব কারণ পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে:
সন্দেহজনক হোটেল বা আবাসনের বুকিং, ইমিগ্রেশন কাউন্টারে রিপোর্ট না করা, ভ্রমণকালীন খরচ বহনের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ না থাকা।
“আর্থিক সক্ষমতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা একজন ভ্রমণকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা দেয়,” — বলা হয়েছে AKPS-এর বিবৃতিতে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে,
“উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি বলে সে এক মাস মালয়েশিয়ায় অবস্থান করবে কিন্তু সঙ্গে মাত্র RM ৫০০ থাকে, তাহলে তার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।”
এটি আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে,
“কোনো ভিজিটর যেন স্বাগতিক দেশের ওপর অর্থনৈতিক বোঝা না হয়ে দাঁড়ায় — এটি নিশ্চিত করাই কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।”
AKPS আরও জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সীমান্তের সার্বভৌমত্ব রক্ষাই তাদের অগ্রাধিকার, এবং যে কেউ ভুয়া তথ্য বা সন্দেহজনক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।