ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় শহর বাট ইয়ামে শনিবার গভীর রাতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত, প্রায় ২০০ জন আহত, এবং ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে রয়েছে ৮ ও ১০ বছর বয়সী দুই শিশু এবং ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর।
এই হামলা ছিল ইরানের দ্বিতীয় রাতভর আক্রমণ, যা রাত ২টা ৩০ মিনিটের পর তেলআবিব, আশদোড, জেরুজালেমসহ মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে সাইরেন বাজিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যেতে বাধ্য করে সাধারণ মানুষকে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রে ছিল শত শত কিলোগ্রাম ওজনের ওয়ারহেড, যা বাট ইয়ামে একটি আবাসিক ভবনের উপর সরাসরি আঘাত হানে। শহরের ৬১টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।
রামাত গানে তিন শিশু-কিশোর নিহত হন। অপরদিকে, রেহোভোতে আহত হয়েছেন অন্তত ৪২ জন, যাদের মধ্যে রয়েছেন একজন মা ও তার শিশু সন্তান।
হামলার পর থেকে IDF হোম ফ্রন্ট কমান্ডের উদ্ধার বাহিনী ঘটনাস্থলে নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
IDF হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপে স্ক্যানিং এবং উদ্ধার কার্যক্রম শেষ করতে আরও একদিন সময় লাগতে পারে।
লিবার ভাকনিন নামের এক নারী জানিয়েছেন, তার বাবা বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারায় নিখোঁজ।
তিনি চ্যানেল ১২-কে বলেন:
“আমার ভাই তাকে নিয়ে যেতে গিয়েছিল, আর তখনই বিস্ফোরণ ঘটে। এক ভয়াবহ শকওয়েভ আসে। আমার ভাই আহত, আমাদের কুকুরটাও আহত হয়েছে। আর এখনো আমার বাবাকে খুঁজে চলেছে তারা।”
ইরানের এই হামলার পর ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই সংঘর্ষ আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে।