শিরোনাম :
অনলাইন প্রতারণা রোধে বিশেষ কমিটির সিদ্ধান্ত শিগগিরই মন্ত্রিসভায় : ফাহমি ফাদজিল মেডিকেল ডিভাইস অনুমোদনে আসিয়ানের ঐতিহাসিক উদ্যোগ, সমন্বয় করবে মালয়েশিয়া ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের

আরসিইপিতে যোগ দিতে হংকং, শ্রীলঙ্কা, চিলি ও বাংলাদেশের প্রতি আসিয়ানের সমর্থন

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কুয়ালালামপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর :  বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (RCEP) এ যোগ দেওয়ার জন্য হংকং, শ্রীলঙ্কা, চিলি ও বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়েছে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো।

ইন্দোনেশিয়ার উপ-বাণিজ্য মন্ত্রী দিয়াহ রোরো এসতি উইদ্যা পুত্রি নিশ্চিত করেছেন যে চার দেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, “চারটি দেশ যোগদানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আশা করি আমরা অ্যাকসেশন ওয়ার্কিং গ্রুপে কাজ করব এবং অবশ্যই যেকোনো দেশ যারা আরসিইপিতে যোগ দিতে চায়, আমরা তাদের সমর্থন করি।”

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি ওঠেনি। “সবাই সমর্থন দিচ্ছে,” তিনি যোগ করেন।

কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ৫৭তম আসিয়ান অর্থনৈতিক মন্ত্রীদের বৈঠকের (AEM) চতুর্থ দিনে আরসিইপি মন্ত্রীদের এই বৈঠক অন্যতম প্রধান আলোচ্যসূচি ছিল।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, শুল্ক বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষাবাদী নীতির প্রেক্ষাপটে আসিয়ান ও মালয়েশিয়ার জন্য আরসিইপি হতে পারে বাণিজ্য শক্তিশালী করার বড় সুযোগ।

২০২২ সালে কার্যকর হওয়া আরসিইপিতে বর্তমানে আসিয়ানের ১০টি দেশ এবং চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই চুক্তি দুই বিলিয়নেরও বেশি মানুষের বাজারকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং বিশ্ব মোট জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

শুল্ক হ্রাস, বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধি এবং পণ্য চলাচল সহজ করার মাধ্যমে আরসিইপি ইতিমধ্যে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতির অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে। হংকং, শ্রীলঙ্কা, চিলি ও বাংলাদেশের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি এর পরিধি ও প্রভাব আরও বিস্তৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »