শিরোনাম :
অনলাইন প্রতারণা রোধে বিশেষ কমিটির সিদ্ধান্ত শিগগিরই মন্ত্রিসভায় : ফাহমি ফাদজিল মেডিকেল ডিভাইস অনুমোদনে আসিয়ানের ঐতিহাসিক উদ্যোগ, সমন্বয় করবে মালয়েশিয়া ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জিসিসি ও ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের জরুরি ফোনালাপ

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

রিয়াদ, ২৪ জুন – ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান রোববার জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এবং ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে একাধিক কূটনৈতিক ফোনালাপে অংশ নেন। সৌদি প্রেস এজেন্সি (SPA) এ তথ্য জানিয়েছে।

যুবরাজ পৃথকভাবে কথা বলেন নিচের গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (GCC) সদস্য রাষ্ট্রের নেতাদের সঙ্গে:

বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল-খলিফা,

ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক,

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি,

কুয়েতের আমির শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ, এবং

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান।

এই আলোচনাগুলোর কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বোমাবর্ষণ এবং ইসরায়েলের চলমান সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষাপট। নেতারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন যে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অবনতি রোধে ত্বরিত কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

“নেতারা জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সংহতির পুনরায় নিশ্চয়তা দেন,” – SPA জানায়, “এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের গুরুত্ব, উত্তেজনা প্রশমন এবং কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি একমত হন।”

এই বার্তায় জিসিসি জোটের তরফ থেকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয় এবং সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

ইউরোপীয় নেতাদের সাথেও আলোচনা
এছাড়াও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান পৃথকভাবে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সাথেও ফোনে কথা বলেন। এই আলোচনায়ও মার্কিন বোমাবর্ষণের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়।

যুবরাজ সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন— “সব ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তি কেবলমাত্র কূটনৈতিক সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে হওয়া উচিত, কোনও সামরিক পথ নয়।”

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সৌদি ভূমিকা
এই কূটনৈতিক তৎপরতা সৌদি আরবের মধ্যস্থতামূলক ভূমিকাকে আরও সুসংহত করছে, বিশেষ করে যখন ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এক সংঘাতময় দ্বন্দ্বের দ্বারপ্রান্তে।

সৌদি আরব বারবার জোর দিয়ে বলে আসছে যে, উত্তেজনা প্রশমন ও আঞ্চলিক সহযোগিতা ছাড়া শান্তি আসবে না, এবং জিসিসি ও ইউরোপীয় অংশীদারদের মাধ্যমে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে বিশ্বাস রাখে।

এই সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহলে এক অভিন্ন অবস্থানকে তুলে ধরছে, যার মূল লক্ষ্য— উত্তেজনা হ্রাস এবং সম্ভাব্য মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় রোধ।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »