বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের নিকৃষ্টতম একটি দিন ২৮শে অক্টোবর। ২০০৬ সালের এই দিনে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পূর্বঘোষিত
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত নারী প্রেসিডেন্ট বেছে নেয়নি মার্কিন নাগরিকরা। তবে এবারের পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন। আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রথমে জো বাইডেনকে প্রার্থী করলেও শেষ পর্যন্ত সে সিদ্ধান্ত
ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ
বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের কথা জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সন্ত্রাস বিরোধী আইন-২০০৯ অনুযায়ী ক্ষমতাবলে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে
৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট বাতিলকে স্বাগত জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এছাড়া গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা ও রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহকে আহ্বায়ক ও আরিফ সোহেলকে সাধারণ সম্পাদক,মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চার সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন
২১ অক্টোবর সোমবার সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মি. হকোন অ্যারাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন, ডেনমার্কের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মি. ক্রিশ্চিয়ান ব্রেক্স মোলার ও সুইডেনের মান্যবর রাষ্ট্রদূত নিকোলাক্স উইক্স-এর সাথে রাজধানী ঢাকার গুলশানস্থ নরওয়ের
‘সারা বিশ্বের মুসলিম দেশের মতো ফিলিস্তিনের সাথে আমাদের চিরদিনের আন্তরিক সম্পর্ক বিদ্যমান এবং এ সম্পর্ক সামনে অটুট থাকবে, ইনশাআল্লাহ। বহুদিন ধরে এবং এই মুহূর্তে ফিলিস্তিন একটি নির্যাতিত দেশ। তাদের ওপর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। ঐ সময়ের মর্মান্তিক ঘটনার পর আওয়ামী লীগ কোনো মিছিল বের করতে পারেনি। এটা প্রমাণিত
দুর্নীতি দমন ● দুর্নীতি দমন কমিশনে পরীক্ষিত সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে। ● রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। ● দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করে