যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (এফএএ) এবং পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি জানিয়েছেন, চলমান সরকারি কার্যক্রম বন্ধ (গভর্নমেন্ট শাটডাউন) থাকার কারণে শুক্রবার থেকে দেশজুড়ে ৪০টি ব্যস্ততম বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ১০ শতাংশ কমানো হবে।
প্রথম ধাপে প্রায় ৪ শতাংশ ফ্লাইট হ্রাস করা হবে এবং পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে তা ১০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে শুধু যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ নয়, পণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত বিমান চলাচলও প্রভাবিত হবে।
এফএএ–এর প্রশাসক ব্রায়ান বেডফোর্ড বলেন, “বিমান নিরাপত্তা এখনও বজায় আছে, তবে বিমান নিয়ন্ত্রণকারীদের মধ্যে কর্মীসংকট ও অতিরিক্ত চাপ দেখা দিচ্ছে।”
পরিবহনমন্ত্রী ডাফি জানান, অনেক বিমান নিয়ন্ত্রণকারী কয়েক সপ্তাহ ধরে বেতন না পেয়ে কাজ করছেন, ফলে কেউ কেউ চাকরি ছাড়ার কথাও ভাবছেন। এই অবস্থায় নিরাপদ বিমান পরিচালনা বজায় রাখতে কিছু ফ্লাইট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রেক্ষাপট
এই ঘোষণা এসেছে এমন সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫ সালের সরকারি কার্যক্রম বন্ধ (শাটডাউন) ইতিমধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় অতিক্রম করেছে। হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী বেতন পাচ্ছেন না, যার মধ্যে বিমান নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও সেবা বিভাগের কর্মীরাও রয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল নিরাপদ রাখতে ফ্লাইট সংখ্যা কমানোই একমাত্র উপায় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের সংখ্যা আগামী সপ্তাহে আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রুটে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে, তবে আন্তর্জাতিক রুটেও কিছু প্রভাব দেখা দিতে পারে।
বিমান নিয়ন্ত্রণকারীদের দীর্ঘ সময় কাজ করতে হচ্ছে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
পর্যটন ও বাণিজ্য খাতে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
শাটডাউন চলতে থাকলে আরও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে প্রশাসন।