শিরোনাম :
অনলাইন প্রতারণা রোধে বিশেষ কমিটির সিদ্ধান্ত শিগগিরই মন্ত্রিসভায় : ফাহমি ফাদজিল মেডিকেল ডিভাইস অনুমোদনে আসিয়ানের ঐতিহাসিক উদ্যোগ, সমন্বয় করবে মালয়েশিয়া ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের

৯৭বছর বয়সে উত্তর কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান কিম ইয়ং নাম মারা গেছেন

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫

তিন প্রজন্মের নেতার অধীনে কাজ করা প্রবীণ কূটনীতিকের জীবনাবসান

উত্তর কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান ও দীর্ঘ সময়ের কূটনীতিক **কিম ইয়ং নাম** (Kim Yong Nam) ৯৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। সোমবার (৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

কিম ইয়ং নাম ১৯৯৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই পদে থেকেই তিনি কার্যত দেশের আনুষ্ঠানিক বা নামমাত্র রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকা পালন করতেন।

কিম ইয়ং নাম ছিলেন উত্তর কোরিয়ার রাজনীতির এক জীবন্ত ইতিহাস। তিনি তিন প্রজন্মের নেতা—কিম ইল সুং, কিম জং ইল এবং বর্তমান শাসক কিম জং উনের অধীনে কাজ করেছেন।
রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তিনি উত্তর কোরিয়ার অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন।

২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকে তিনি উত্তর কোরিয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। সেই সফরেই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখে।

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন ব্যক্তিগতভাবে প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কিম ইয়ং নামের দাফন সম্পন্ন হবে বলে সরকারি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিম ইয়ং নামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে “দক্ষ কূটনীতিক ও দুই দেশের বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন” হিসেবে বর্ণনা করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কিম ইয়ং নামের মৃত্যু উত্তর কোরিয়ার পুরনো প্রজন্মের কূটনৈতিক নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়েছে। তিনি ছিলেন একাধারে স্থিতিশীল প্রশাসনিক নেতৃত্বের প্রতীক এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে পিয়ংইয়ং সরকারের এক নির্ভরযোগ্য মুখ।

কিম ইয়ং নামের প্রস্থান উত্তর কোরিয়ার রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাল। তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আগামী প্রজন্মের নেতাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »