দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের হামলায় নতুন করে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, খান ইউনুসসহ (খান ইউনুস) বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার ভোর থেকে একাধিক বিমান ও গোলাবর্ষণ চালানো হয়।
এর আগে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সীমিত সময়ের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। হামলা বন্ধ না হওয়ায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, “বিরতির ঘোষণা শুধু কথায়— মাটিতে শান্তি নেই।”
হামাস জানিয়েছে, তারা আরও দুইজন ইসরায়েলি বন্দি ফেরত দিয়েছে, যা শান্তির আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত হতে পারে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংসের অভিযানে’ হামলা অব্যাহত থাকবে।
গাজার স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, অব্যাহত বোমাবর্ষণের কারণে তাঁরা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছেন না। খাদ্য ও পানির সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। এক নারী বলেন, “আমরা যুদ্ধবিরতির খবর শুনেছিলাম, কিন্তু প্রতিদিনই নতুন বিস্ফোরণ হচ্ছে। এখন মনে হয়—গাজার কোথাও আর নিরাপদ নয়।”
এদিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, অব্যাহত হামলার ফলে গাজার চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে আহতদের জায়গা নেই, ওষুধেরও তীব্র সংকট চলছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান এই সংঘাত আবারও প্রমাণ করছে— “বিরতি” কেবল সাময়িক নিঃশ্বাস নেওয়ার সময়, স্থায়ী শান্তির জন্য এখনো দূরপথ বাকি।