কুয়ালালামপুর: এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণের দাবি তোলার অভিযোগে সাত বিদেশি নাগরিককে আজ কুয়ালালামপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়েছে। এই উচ্চ-প্রোফাইল মামলার শুনানি ম্যাজিস্ট্রেট নূরএলিননা হানিম আবদ হালিমের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন দুই বাংলাদেশি নাগরিক সোহেল রানা (৪০) ও শাহাজাহান (৩৭), এবং পাঁচজন মিয়ানমারের নাগরিক — আব্দুল মাজিদ আব্দুল মালিক (২৫), সফোরোদিন ফজল করিম (২৫), মোখতার হুসোন জহের হুসোন (২৬), মোহাম্মদ ইসমাইল আজিতা রহমান (২৩), ও মোহাম্মদ আরাফাত হুসেইন জামাল মুস্তাফা (২৪)।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা গত ২৬ জুন রাত ১১টা ৩০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের সেন্টুল এলাকার একটি মসজিদের সামনে থেকে ৪৭ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে সংঘবদ্ধভাবে অপহরণ করে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে।
তাদের বিরুদ্ধে ১৯৬১ সালের অপহরণ আইন [সেকশন ৩(১)] এবং মালয়েশিয়ার দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং বেত্রাঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে। আদালতে অভিযুক্তদের কাছে অভিযোগ পাঠ করে শোনানো হলে, তারা অভিযোগটি বোঝার কথা জানান; তবে, মামলাটি উচ্চ আদালতের এখতিয়ারে থাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কোন স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়নি।
রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর ইমান নুরহিদায়াহ এজানি আদালতে জানান, এই অপরাধ জামিনযোগ্য নয়, তাই অভিযুক্তদের জামিনের আবেদন বিবেচনা করা হয়নি। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ২ অক্টোবর ২০২৫ নির্ধারণ করেছে।