এই অভিযানটি পরিচালনা করেন অভিবাসন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের পরিচালক তুয়ান হাজি বাসরি ওসমান এবং সহকারী পরিচালক মেগাত পুতেরা নিজাম মেগাত হুসাইন। অভিযানে অংশ নেন বিভাগের ১৬০ জনেরও বেশি কর্মকর্তা। এটি চলমান দেশব্যাপী অভিবাসন আইনের কঠোর বাস্তবায়নের দ্বিতীয় পর্যায়, যা শুরু হয়েছিল ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে।

অভিযানটি সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ১০টা পর্যন্ত চলবে এবং প্রতিদিনই অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
অভিযানে মোট ৭৫৮ জনকে তল্লাশি করা হয়। তাদের মধ্যে:
-
১৫০ জন বিদেশি বৈধ কাজের অনুমতিপত্র (PLKS) ছাড়াই কাজ করছিলেন,
-
৩৩ জনকে আরও তদন্তের জন্য আটক করা হয়েছে,
-
৫৪ জন মালয়েশিয়ান নাগরিকের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে।
আটকদের বেশিরভাগই ভারত, বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। তাদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ অতিক্রম, বৈধ কাগজপত্রের অনুপস্থিতি, জাল বা নকল দলিল ব্যবহার এবং কাজের অনুমতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বাসরি ওসমান বলেন, “এই অভিযানটি গোয়েন্দা তথ্য এবং জনগণের অসংখ্য অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, অভিবাসন আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ হচ্ছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষিত হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় কয়েকজন অভিবাসী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কেউ কেউ দোকানের ক্রেতা সেজে আত্মগোপন করার চেষ্টা করেন। বৃষ্টি থাকার কারণে বাইরের কিছু অংশে তল্লাশি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়।

বাসরি কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি দেন, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ করলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারীর বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, “এই অভিযান শুধু একদিনের জন্য নয়। অনিয়মিত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত এবং পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই চলবে।”
অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জাতীয় নিরাপত্তা এবং শ্রমবাজারের সুরক্ষায় এই ধরনের অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।







