“রিপন মিয়া”, বৈধ ভিসা নিয়ে ৫ লক্ষ্য ৫৫ হাজার টাকা খরচ করে মালয়েশিয়া আসেন জানুয়ারি ২০২৪ । বাবার একমাত্র সম্ভল ধানের জমি বিক্রিকরে মালয়েশিয়া আসেন তিনি । প্রতারক দালালের রোষানলে পড়ে দীর্ঘদিন কর্মহীন থেকে ২ হাজার ৮০০ রিঙ্গিত দিয়ে কোম্পানি থেকে পাসপোর্ট নিয়ে ৩ মাস আগে কাজে যোগদান করেন ।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস” বৈধ ভিসা থাকার পরেও নিয়োগ কর্তা কোম্পানিতে কাজ না করে অন্যত্র কাজ করায় মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে রিপন মিয়া সহ , ২৪২ বাংলাদেশী কর্মীকে আটক করেছে রাজ্যের ইমিগ্রেশনের গোয়েন্দা শাখা। কাঠের বাক্সে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলোনা শরীয়তপুরের রিপন মিয়ার। ৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাজ্যে দু’টি পৃথক অভিযানে ২৪২ বাংলাদেশীসহ মোট ৩৩৬ জন অভিবাসীকে আটক করেছে রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ। এছাড়া আটক করা হয়েছে কনস্ট্রাক্শন কোম্পানির দুইজন স্থানীয় নিয়োগকর্তাকেও।
জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক , দাতুক মোহাম্মদ রুশদি মোহাম্মদ দারুস অভিযান স্থলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গোয়েন্দা তথ্যে ও স্থানীয় নাগরিকদের অভিযোগের ভিওিতে রাজ্যের একটি পেপার প্রসেসিং ফ্যাক্টরিতে অপ্স মাহির এবং একটি নির্মাণ সাইটে অপস কুটিপ নামের পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
আটক কৃতদের মধ্যে রয়েছে, ২৪২ জন বাংলাদেশী , ৪৪ ইন্দোনেশিয়ান (২৬ পুরুষ, ১৮ জন মহিলা), চীনের (১২ জন পুরুষ, ৯ জন মহিলা), পাকিস্তানের ১৬, শ্রীলঙ্কার (একজন পুরুষ, তিনজন মহিলা) এবং মিয়ানমারের ৯ জন পুরুষ) নাগরিক রয়েছেন।
অভিবাসন, ৬(১)(সি), ধারা ১৫(১)(সি), অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৫৫বি এবং রেগুলেশন ১১(৭)(এ), রেগুলেশন ১৭(বি), রেগুলেশন ৩৯(বি) রেগুলেশন-ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ অনুযায়ী তদন্তে আটকদের শনাক্তকৃত অপরাধের মধ্যে রয়েছে কোনো বৈধ পারমিট না থাকা, ভ্রমণ ভিসার অপব্যবহার, কর্মী ভিসার শর্ত লঙ্ঘন। আরো অধিকতর তদন্তের জন্য আটক অভিবাসীদের রাজ্যের সেটিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।