শিরোনাম :
দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত কৃষকদের সুবিধার্থে ব্যর্থ চুক্তি বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে কুয়ালালামপুরে মালয়েশীয়দের বিক্ষোভ মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ কাম্পার ও কুয়ালা কাংসারে পৃথক ক্যাবল চুরির মামলায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ এয়ার ইটাম সশস্ত্র সংঘর্ষ: পেনাং এবং সেলাঙ্গরে অভিযানের পর গ্রেপ্তার আরও ১০ ACC to seek UAE data on Dubai assets of 73 Bangladeshis

ফাইনালে স্পেনের একচ্ছত্র আধিপত্য, অতিরিক্ত সময়ে ভাঙল আর্জেন্টিনার স্বপ্ন

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় মুহূর্তে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলেই বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নিয়েছে স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে লা রোহা। অন্যদিকে, লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ শেষ হলো তীব্র হতাশায়।

পুরো ম্যাচে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় স্পেন। অথচ আর্জেন্টিনা ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে একবারও প্রতিপক্ষের গোলমুখে লক্ষ্যভেদী শট নিতে পারেনি। ৮০ হাজারের বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে খেলা উপভোগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

নির্ধারিত সময়জুড়ে স্পেন একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে পেদ্রো পোরোর উঁচু ক্রস থেকে নিকো উইলিয়ামস হেডে বল নামিয়ে দেন ফেরান তোরেসের সামনে। বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড শক্তিশালী শটে জাল কাঁপিয়ে স্পেনকে এনে দেন বহু প্রতীক্ষিত গোল।

এর আগে অতিরিক্ত সময়ে নিকো উইলিয়ামস বল জালে পাঠালেও মিকেল মেরিনোর ফাউলের অভিযোগে গোলটি বাতিল করেন রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ।

ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক কৌশল ও ঘন ঘন ফাউলের মাধ্যমে স্পেনের আক্রমণ থামানোর চেষ্টা করে। সেই আগ্রাসী ফুটবলের মূল্যও দিতে হয়েছে দলটিকে। ইনজুরি সময়ে পাও কুবারসির ওপর কঠিন ট্যাকলের কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে অতিরিক্ত সময়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় আর্জেন্টিনাকে।

প্রথমার্ধেই বেশ কয়েকটি কঠোর ট্যাকল নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জে ডানি ওলমো আহত হলেও কোনো কার্ড দেখাননি রেফারি। অন্যদিকে, আলেক্স বায়েনার কনুইয়ের আঘাতে মেসি মাটিতে পড়লেও শাস্তির মুখে পড়েননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।
৪১ মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। পরে চোটের কারণে মাঠ ছাড়লে তার জায়গায় নামেন নিকোলাস ওটামেন্ডি।

বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তভাবে নিজেদের হাতে নেয় স্পেন। কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তে পেদ্রি ও ফেরান তোরেসকে মাঠে নামানোর পর আক্রমণের গতি আরও বেড়ে যায়। একের পর এক শট ঠেকিয়ে আর্জেন্টিনাকে লড়াইয়ে রাখেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ইয়ামাল, পেদ্রি, কুবারসি ও তোরেসের একাধিক প্রচেষ্টা অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন তিনি।

শেষ দিকে মরিয়া হয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও আর্জেন্টিনা স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসবে মেতে ওঠে স্পেন। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো ইউরোপের দলটি। অন্যদিকে, মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ শেষ হলো শিরোপাহীন আক্ষেপে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »