মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। তাদের কেবল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
কুয়ালালামপুর পুলিশের প্রধান ফাদিল মারসুস আজ সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘তাদের আটক করা হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি। শুধু নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য তাদের কুয়ালালামপুর কন্টিনজেন্ট সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছিল। যাচাই শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পেনাংয়ের একটি বসতি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর বাসে করে কুয়ালালামপুরে আসা রোহিঙ্গাদের রাজধানীতে পৌঁছানোর পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন সংশোধন করতেই পুলিশের পক্ষ থেকে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২৯ জুলাই ফাদিল মারসুস জানিয়েছিলেন, বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ও ইউএনএইচসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের কয়েকটি দলে ভাগ করে তিনটি রাজ্যে স্থানান্তর করা হবে।
এর আগে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রায় ৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে গ্রহণ করতে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, দুই দেশের আলোচনা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মাধ্যমে এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার।