দেশের সৃজনশীল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে প্রথমবারের মতো ‘অরেঞ্জ ইকোনমি কাউন্সিল’ (এমইজে) বৈঠক করেছে মালয়েশিয়া। ২০২৬ সালের এই প্রথম বৈঠকে দেশের সৃজনশীল খাতের ভবিষ্যৎ কৌশল ও অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ার সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে কৌশলগত, সমন্বিত ও সহযোগিতামূলক উদ্যোগ নেওয়ার লক্ষ্যে এই কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। দেশের সৃজনশীল খাতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা হিসেবে কাউন্সিলটি সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, শিল্প খাতের অংশীজন ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।
অরেঞ্জ ইকোনমি–সংক্রান্ত সরকারের প্রধান পরামর্শক সংস্থা হিসেবে কাউন্সিলটি সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়নে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন উদ্যোগের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্ব পালন করবে। এর মাধ্যমে সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশকে আরও সামগ্রিক ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কাউন্সিলের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে অরেঞ্জ ইকোনমির জন্য জাতীয় নীতি ও কৌশল প্রণয়ন। পাশাপাশি সৃজনশীল খাতের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা, নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি এবং শিল্প, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, ডিজিটাল কনটেন্ট, চলচ্চিত্র, সংগীত, নকশা ও উদ্ভাবনের মতো খাতকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কাউন্সিলের চেয়ারপারসন আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন এই কাউন্সিল মালয়েশিয়ার সৃজনশীল শিল্পে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবে। এর মাধ্যমে মানবিকতা, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া ‘মালয়েশিয়া মাদানি’র আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে দেশটি।
অরেঞ্জ ইকোনমি কাউন্সিল গঠনের মধ্য দিয়ে সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার সরকারের অঙ্গীকারেরও প্রতিফলন ঘটেছে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিভাবান সৃজনশীল কর্মীদের ক্ষমতায়ন এবং সৃজনশীল সম্প্রদায়ের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।