শিরোনাম :
কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিহিংসা বা ঈর্ষা থেকে নয়: আনোয়ার ইব্রাহিম সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ব্রুনাই-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদারে সংলাপ ভুয়া পুলিশ সেজে ফোন স্ক্যাম, ইপোর এক বৃদ্ধ খোয়ালেন ১৯ লাখ রিঙ্গিত কৃষকদের সুবিধার্থে ব্যর্থ চুক্তি বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে কুয়ালালামপুরে মালয়েশীয়দের বিক্ষোভ মাহা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, গুরুত্ব পাবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও যোগাযোগ

পাকিস্তানে সেনাপুলিশের যৌথ অভিযান:মৃত্যু ৩০ সন্ত্রাসীর

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ওরাকজাই জেলায় সেনাবাহিনীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার জবাবে চালানো অভিযানে অন্তত ৩০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এই সন্ত্রাসীরা নিহত হয় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ (ISPR)।

হামলার পেছনে টিটিপি

৮ অক্টোবর, বুধবার সন্ধ্যায় ওরাকজাই ও কুররম জেলার সংযোগ সড়কে সেনাবাহিনীর একটি গাড়িবহরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (TTP)।হামলায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুনাইদ তারিক এবং মেজর তায়াব রাহাত সহ মোট ১১ সেনা সদস্য শহীদ হন।

আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়, ৮ অক্টোবরের হামলার পর ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওরাকজাইয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩০ জন সন্ত্রাসীকে ‘নরকে পাঠানো হয়েছে’ বলে দাবি করে তারা।

হামলার বিস্তারিত বিবরণে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর বহর ওরাকজাই-কুররম সংযোগ সড়কে প্রবেশ করলে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। এরপর রাস্তায় পুঁতে রাখা একটি বিস্ফোরক দ্রব্য বিস্ফোরিত হলে দুটি সামরিক যান ধ্বংস হয়। একটিতে ছিলেন কর্নেল তারিক ও মেজর রাহাত।ওরাকজাইয়ের পাশাপাশি ৯ অক্টোবর খাইবার পাখতুনখোয়ার ডেরা ইসমাইল খান জেলাতেও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। সেখানে আরও ৮ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানায় আইএসপিআর।

আইএসপিআর আরও জানায়, পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাসবাদের শিকড় উৎখাতে সেনাবাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলা ও সহিংসতা ব্যাপক হারে বেড়েছে।

খাইবার পাখতুনখোয়া দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানপন্থি তালেবান গোষ্ঠী টিটিপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। অপরদিকে বেলুচিস্তানে সক্রিয় রয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বালোচ লিবারেশন আর্মি (BLA)—যা পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ করেছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »