মালয়েশিয়ার সাবেক ইউএমএনও যুবপ্রধান খাইরি জামালউদ্দিন আবু বাকার বলেছেন, নেগেরি সেম্বিলান রাজ্য নির্বাচনে বারিসান ন্যাশনাল (বিএন) ও পাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে গড়ে ওঠা সহযোগিতা সফল হলে ভবিষ্যতে একই মডেল সেলাঙ্গরেও প্রয়োগ করা যেতে পারে।
রোববার রাতে ইউএমএনও সুবাং বিভাগের নারী, যুব ও পুতেরি প্রতিনিধিদের সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সেলাঙ্গরের ভোটারদের জনসংখ্যাগত বৈশিষ্ট্য নেগেরি সেম্বিলানের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে। তাই সেখানে এই ধরনের নির্বাচনী কৌশল কার্যকর হতে পারে।
তবে খাইরি বলেন, এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে নেগেরি সেম্বিলান রাজ্য নির্বাচনের ফলাফল মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তার ভাষ্য, বিএন-পাসের এই সহযোগিতা মূলত একটি রাজনৈতিক পরীক্ষা। এর মাধ্যমে দেখা হবে, মালয় ভোট একত্রিত হলে দুই দলের নির্বাচনী সম্ভাবনা কতটা বাড়ে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী কৌশল সব সময় পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হয়। পাশাপাশি বিএন ও পাস—উভয় পক্ষকেই আন্তরিকতা ও অঙ্গীকারের পরিচয় দিতে হবে। একই সঙ্গে বিএনর সমর্থকেরা পাসের প্রার্থীকে এবং পাসের সমর্থকেরা বিএনর প্রার্থীকে ভোট দিতে প্রস্তুত কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
খাইরি আশা প্রকাশ করেন, মালয় ভোট বিভক্ত না হলে সেলাঙ্গরে ক্ষমতা দখলের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, নেগেরি সেম্বিলানে বিএন-পাসের সহযোগিতা জাতীয় ঐক্য সরকারের শরিক দলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যারও প্রতিফলন।
তবে তিনি মনে করেন, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে বিএনর বর্তমান ঐক্য সরকারেই থাকা উচিত।
আগামী সেলাঙ্গর রাজ্য নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনর সম্ভাব্য ‘পোস্টার বয়’ নির্ধারণের বিষয়ে জানতে চাইলে খাইরি বলেন, সময় হলে দলীয় নেতৃত্ব এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। নির্বাচনী কৌশলও তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নেগেরি সেম্বিলানে বিএন-পাস সহযোগিতার সফলতার ওপর নির্ভর করবে।