রেজুয়ানা বিনতে রেজা।কুয়ালালামপুর ।
ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল বা যয়তুন তেল প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এটি যেমন বিশেষভাবে মর্যাদাপূর্ণ, তেমনি আধুনিক বিজ্ঞানও স্বীকার করেছে এই তেলের অসাধারণ গুণাগুণ।
কুরআনের আলোকে যয়তুন তেলের গুরুত্ব
পবিত্র আল কুরআনে একাধিক স্থানে যয়তুনের (অলিভ) কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা আন-নূরে আল্লাহ তায়ালা বলেন—
“তিনি এমন এক বৃক্ষের তেল দ্বারা আলোকিত, যা পূর্ব বা পশ্চিমের নয়; যার তেল প্রায় আলো ছড়ায়, যদিও আগুন তা স্পর্শ করেনি।”
— (সূরা আন-নূর, আয়াত ৩৫)
এ আয়াতে যয়তুন তেলকে আল্লাহর আলো ও পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামী চিকিৎসাশাস্ত্রেও এটি ত্বক, চুল ও হজম ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে বিবেচিত।
বিজ্ঞানের আলোকে অলিভ অয়েলের উপকারিতা
আধুনিক গবেষণা বলছে, অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন E, ভিটামিন K, পলিফেনলস, ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান—যা ত্বককে ভিতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং বার্ধক্যের ছাপ কমায়।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন—
ব্রিটিশ জার্নাল Clinical Nutrition–এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অলিভ অয়েলের ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া এটি ত্বকের প্রাকৃতিক ইলাস্টিসিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ব্যবহারবিধি
ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যায় নানা উপায়ে—
যয়তুন তেল শুধু ধর্মীয়ভাবেই নয়, বৈজ্ঞানিকভাবেও মানব শরীরের জন্য এক অনন্য আশীর্বাদ। তাই বলা যায়—কুরআনের প্রশংসিত এই তেল আধুনিক বিজ্ঞানের পরীক্ষায়ও সমানভাবে উত্তীর্ণ।