প্রতিবেদন: রেজুয়ানা বিনতে রেজা
জুতা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু অনেক সময় মানুষ জুতার ডিজাইন, রঙ বা দাম দেখে পছন্দ করেন, সঠিক সাইজ ও মাপের দিকে গুরুত্ব দেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পায়ের বিভিন্ন সমস্যার অন্যতম কারণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুতার সঠিক মাপ না হলে পায়ের আঙুলে ঘষা, ফোসকা, ক্যালাস, এমনকি দীর্ঘমেয়াদে পায়ের হাড়ের গঠনেও পরিবর্তন আসতে পারে। অনুপযুক্ত জুতা পরার কারণে হাঁটায় ভারসাম্য নষ্ট হয়ে কোমর ও হাঁটুর ব্যথারও ঝুঁকি বেড়ে যায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন ডা. মাহবুব হাসান বলেন, “অনেকেই ছোট সাইজের জুতা পরে ‘ফিট’ দেখাতে চান, আবার কেউ বড় সাইজ নেন আরাম ভেবে। কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই শরীরের ওজনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা পায়ের ক্ষতির কারণ।”
গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত তাদের পায়ের সঠিক মাপ জানেন না। অথচ, পায়ের মাপ বছরে একবার হলেও পরিবর্তন হতে পারে—বিশেষ করে শিশু, কিশোর, ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ,
ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে সঠিক সাইজের জুতা পরার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, “আরামদায়ক জুতা শুধু হাঁটাকে সহজ করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে পায়ের ও শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে।”