বাংলাদেশে আমদানি করা মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ থেকে ২৩ শতাংশই পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থান হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয় বলে সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এমনটা জানান তিনি।
জ্বালানি মন্ত্রী জানান, বর্তমানে কুয়েত, মালয়েশিয়া, চীন, আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ওমান ও ভারত থেকে সরাসরি চুক্তির আওতায় ৫০ শতাংশ পরিশোধিত তেল আমদানি করা হয়। বাকি অর্ধেক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।
তিনি জানান, দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারীর জন্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বছরে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি করা হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় এই ক্রুড অয়েলের শতভাগই হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসে। তবে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে এই প্রণালি ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। সামগ্রিকভাবে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই স্পর্শকাতর রুটটির ওপর নির্ভরশীল।