শিরোনাম :
অনলাইন প্রতারণা রোধে বিশেষ কমিটির সিদ্ধান্ত শিগগিরই মন্ত্রিসভায় : ফাহমি ফাদজিল মেডিকেল ডিভাইস অনুমোদনে আসিয়ানের ঐতিহাসিক উদ্যোগ, সমন্বয় করবে মালয়েশিয়া ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের

কুয়ালালামপুরের চেরাসে বিদেশি ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে ইমিগ্রেশনের অভিযান, ১৫২ জন আটক

ওয়াহিদ সোহান: বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

কুয়ালালামপুর | ৫ ফেব্রুয়ারি :  মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) কুয়ালালামপুরের চেরাস এলাকায় বিদেশি-প্রধান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১৫২ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এক ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানটি ইমিগ্রেশন বিভাগের ডেপুটি মহাপরিচালক (অপারেশনস)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এতে পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন সদর দপ্তর থেকে ১১২ জন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা অংশ নেন।

ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, চেরাসের একটি বড় শপিং কমপ্লেক্সের আশপাশে অবস্থিত একাধিক বিদেশি পরিচালিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ৮৭০ জনকে পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ৪৫৮ জন বিদেশি নাগরিক এবং ৪৩২ জন মালয়েশিয়ান নাগরিক ছিলেন।

নথিপত্র যাচাই শেষে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অপরাধে ১৫২ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ৯৪ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ৩৮ জন চীনা নাগরিক, ছয়জন ইন্দোনেশিয়ান, দুইজন বাংলাদেশি এবং অন্যান্য দেশের ১২ জন নাগরিক।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, আটককৃতদের বয়স ২১ থেকে ৪২ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে ৯৭ জন পুরুষ এবং ৫৫ জন নারী। সকলকে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শনে ব্যর্থতা, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান (ওভারস্টে), পাসের শর্ত লঙ্ঘন, স্বীকৃত নয় এমন কার্ড ব্যবহারসহ বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আইনের লঙ্ঘনের সঙ্গে তারা জড়িত। অভিযানের সময় কয়েকজন বিদেশি নাগরিক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এছাড়া কিছু প্রতিষ্ঠানে “ডোর গার্ড” ও আগাম সতর্কতা দেওয়ার নজরদারি ব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়ও শনাক্ত করা হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ আইন ২০০৭-এর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন বিভাগ অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া, নিয়োগ দেওয়া বা যেকোনোভাবে সহায়তা করা থেকে বিরত থাকতে জনসাধারণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। অবৈধ অভিবাসী সংক্রান্ত তথ্য থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিভাগটি আরও জানায়, অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং জনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »