শিরোনাম :
‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু জাকার্তায় আটকে পড়া মালয়েশিয়ানদের পাশে এক ইন্দোনেশীয় নারী নেপালে পৌঁছেছে মালয়েশিয়ার বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘স্মার্ট’

সিবিআই কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় ছয়জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪
কলকাতায় চিকিৎসক ধর্ষণ-হত্যায় বিক্ষোভ অব্যাহত। ছবি: এনডিটিভি।
কলকাতায় চিকিৎসক ধর্ষণ-হত্যায় বিক্ষোভ অব্যাহত। ছবি: এনডিটিভি।

ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় ছয়জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা (মিথ্যা সনাক্তকরণ পরীক্ষা) শুরু করেছে। শনিবার (২৪ আগস্ট) কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে অবস্থিত সিবিআই দফতরে হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষসহ বাকিদের এই পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু হয়। খবর ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির।

পরীক্ষার জন্য দিল্লির সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (সিএফএসএল) থেকে একটি বিশেষ দল কলকাতায় এসেছে।

মামলার প্রধান অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের পরীক্ষা তিনি যে কারাগারে বন্দি আছেন, সেখানেই করা হবে। অন্যদিকে, সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, ঘটনার রাতে দায়িত্বে থাকা চারজন চিকিৎসক ও এক স্বেচ্ছাসেবকের পরীক্ষা সিবিআই অফিসেই সম্পন্ন হবে।

শুক্রবার শিয়ালদহের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট (এসিজেএম) আদালত এই সাতজনের পলিগ্রাফ পরীক্ষার অনুমতি দেন। সন্দীপ রায় এই পরীক্ষায় সম্মতি জানিয়েছেন।

এই পরীক্ষা একসঙ্গে হবে না। একে একে ছয়জনের পরীক্ষা আলাদাভাবে করা হবে, যা সময়সাপেক্ষ হবে।

নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রথম থেকেই সন্দীপ ঘোষসহ এই ছয়জন সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন। সিবিআই জানতে চায়, তারা গোয়েন্দাদের যা বলছেন তা সত্য কি না। আর সে কারণেই এই পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই পরীক্ষার ফলাফল আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। তদন্তের স্বার্থে এটি করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ ধরনের পরীক্ষার জন্য অভিযুক্তদের সম্মতি প্রয়োজন হয়। পলিগ্রাফ পরীক্ষা সাধারণত জিজ্ঞাসাবাদের সময় বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, যা থেকে অভিযুক্তরা মিথ্যা বলছেন কি না তা যাচাই করা যায়।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »