কলিং ভিসায় আসা বিদেশি কর্মীদের আবাসন এবং বেতন ভাতা নিশ্চিত না করার অভিযোগে ১০৫ টি কোম্পানিকে কালো তালিকা ভুক্ত করেছে মালায়িশার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়।
দেশটিতে কলিং ভিসায় আসা কর্মীদের সার্বিক বেতন ভাতা নিশ্চিতে মনিটরিং করছে হাইকমিশনার শামীম আহ্সান। বিদেশী কর্মীদের মাসিক বেতন নিয়ে বিলম্ব না করতে নিয়োগ কর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম চি কেওঁ। চলতি বছরেও, বিদেশী কর্মীদের হয়রানির দায়ে বেশ কিছু কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করে মালয়েশিয়া প্রশাসন।
যে’ সকল নিয়োগকর্তা বিদেশী কর্মী নিয়োগ দিয়েছে তাদের কোম্পানিতে কাজ থাকুক আর নাই থাকুক মাসের শেষে বেতন ভাতা নিশ্চিত করা, এবং যদি কোনো কোম্পানির আবাসন ও বেতন দেয়ার সক্ষমতা না থাকে তাহলে ওই সকল কোম্পানিকে বিদেশী কর্মী নিয়োগ না করার আহ্বান জানান মানবসম্পদ মন্ত্রী “স্টিভেন সিম চী কেওঁ” । বৃহস্পতিবার (কে এল সিসি ) কুয়ালালামপুর কনভেশনশন সেন্টারে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের “ডাসা গাজী প্রগ্রেসিভ” প্রোগ্রাম শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিদেশী কর্মীদের হয়রানির বিষয় সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে এই কথা বলেন তিনি ।
উল্লেখ্য ফেব্রুয়ারী ২০২৪, বাংলাদেশী ৭৩৩ জন কর্মীকে বেতন না দেয়ায় বাংলাদেশি কর্মীরা দেশটির শ্রম আদালতে অভিযোগ করে, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ৬৯৩ জন কর্মীকে কোম্পানি পরিবর্তন করে অন্য কোম্পানিতে কাজ দেওয়া হয়। এবং নিয়োগ কর্তা কোম্পানিকে কর্মীদের বেতন ১০ লক্ষ্য ৩৫ হাজার ৭৫৫ রিঙ্গিত ৪৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করার আদেশ দেয় শ্রম আদালত।
এই ছাড়া কোম্পানিতে সঠিক কাজ না থাকা শর্তেও বিদেশী কর্মী নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে ২২ মার্চ ২০২৩ থেকে ১৫ মে ২০২৪ পৰ্যন্ত ১০৫ টি কোম্পনিকে কালো তালিকা ভুক্ত করা হয়। তারা কোনো দিন বিদেশী কর্মী নিয়োগের কোটা পাবেন বলে জানান মানবসম্পদ মন্ত্রী।