সিডনি: আন্তর্জাতিক প্রাণী কল্যাণ জোট ফিলাইন গার্ডিয়ানস-কে নিয়ে news.com.au-তে প্রকাশিত এক হৃদয়বিদারক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেদনের শিরোনাম “অচিন্তনীয়: অনলাইন বিড়াল নির্যাতন চক্রের অসুস্থ আন্ডারওয়ার্ল্ডের ভেতর”।
প্রতিবেদনটিতে অনলাইন জুস্যাডিস্টিক কনটেন্ট যেখানে যৌন বিকৃতির উদ্দেশ্যে বিড়ালকে নির্যাতন ও অঙ্গচ্ছেদ করার ভিডিও—এবং এসব নৃশংসতা ছড়িয়ে দেওয়া আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের বিস্তার তুলে ধরা হয়েছে।
ফিলাইন গার্ডিয়ানস দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত পেরিয়ে এসব চক্রের হদিস, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং প্রাণী সুরক্ষার জন্য কঠোর আইন প্রণয়নের দাবিতে কাজ করে আসছে।
যদিও এই ধরনের অধিকাংশ কনটেন্ট চীন থেকে আসে, যেখানে প্রাণী নির্যাতনবিরোধী কোনো আইন নেই, সাম্প্রতিক প্রমাণ বলছে, এ ধরনের নৃশংসতা এশিয়ার আরও বহু দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। গত মাসে বিবিসির আরেকটি তদন্তে এক চীনা নাগরিককে এই নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, যিনি বর্তমানে টোকিওতে বসবাস করছেন।
“বিড়াল নির্যাতনের নেটওয়ার্ক দ্রুত চীনের বাইরের তরুণদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে,” বলেন ফিলাইন গার্ডিয়ানস-এর প্রতিনিধি লারা। “আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী দেখছি, যার মধ্যে নেটওয়ার্কের প্রধান প্রশাসকও রয়েছেন।”
সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে:
প্রাণী নির্যাতনবিরোধী আইন শক্তিশালী করা, বিশেষ করে যেখানে এ ধরনের অপরাধ এখনো অপরাধ হিসেবে গণ্য নয়।
সহিংস কনটেন্ট হোস্ট করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা।
প্রাণী নির্যাতন ও মানব সহিংসতার যোগসূত্র স্বীকৃতি দেওয়া, যা যৌন অপরাধ ও গণহত্যার সঙ্গেও সম্পর্কিত।
ফিলাইন গার্ডিয়ানস বিশ্বজুড়ে মানুষকে প্রাণী নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্ত হতে আহ্বান জানিয়েছে। আরও জানতে বা অংশ নিতে ভিজিট করুন: www.felineguardians.org।