খুলনায় কুরবানির পরপরই পশুর চামড়া সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন মাদরাসায়ও সংগ্রহ করা হচ্ছে কুরবানির পশুর চামড়া। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ মৌসুমেও চামড়া নিয়ে হতাশ তারা।
সংগ্রহ করা হচ্ছে কুরবানির পশুর চামড়া। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ মৌসুমেও চামড়া নিয়ে হতাশ তারা।
খুলনার শের ই বাংলা রোডে চামড়ার দাম নিয়ে দর কষাকষি করছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা। কুরবানির পরপর চামড়া বিক্রি করতে এসে কাঙ্খিত দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তাদের। আর মৌসুমী বিক্রেতারা বলছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করে বিক্রি করলে লাভ থাকবে না। গড়ে বড় গরুর কাঁচা চামড়া ৪০০ থেকে সাড়ে চারশো টাকা আর ছোট গরুর কাঁচা চামড়া ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।
শেখপাড়া এলাকায় দেখা যায়, ৫-৬ জন পাইকারি ব্যবসায়ী রাস্তার ওপর টুল নিয়ে বসে চামড়া কিনছেন। চামড়া সংগ্রহের নির্ধারিত জায়গা না থাকায় তারা সড়কেই ধুলা-ময়লার মধ্যে চামড়া জমাচ্ছেন। এছাড়া সকাল থেকে বিভিন্ন মাদরাসায়ও কুরবানি করা পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়। প্রত্যাশিত দাম পাওয়ার আশা করছেন তারা।
খুলনা জেলা কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী সমতির সভাপতি আবদুস সালাম ঢালী জানান, একদিকে চামড়া ট্যানারিতে দেয়ার পর কোটি কোটি টাকা বকেয়া, নগরীতে মার্কেট না থাকা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে এ শিল্প। এখন হাতে গোনা কয়েকজন ব্যবসা করছেন। কেউ কেউ ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় যুক্ত হয়েছেন। চামড়া ব্যবসায়ীদের এই শিল্প বাঁচাতে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলে দাবি করেন তিনি।