ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালের বিষয়টি এখন আদালতের চূড়ান্ত আদেশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছয়টি ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধনের পরিপ্রেক্ষিতে এমন তথ্য জানিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।
এদিন সকাল থেকে মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন চাকরিচ্যুতরা। আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংক ছাড়াও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্তরা অংশ নেন। তাদের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর কোনো নিয়ম না মেনেই প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আন্দোলনকারীরা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে চাকরিতে পুনর্বহালের আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
অন্যদিকে ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিতের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, আগে এসব ব্যাংকে অযোগ্যদের অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্যায়ন পরীক্ষার আয়োজন করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাতে অংশ নেননি।