কুয়ালালামপুর: অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। আধুনিক প্রযুক্তি, ড্রোন ও এ–আই ব্যবহারের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ভবনের ছাদ, বাসার সিলিং বা ম্যানহোলে লুকিয়েও রক্ষা পাচ্ছে না অবৈধ অভিবাসীরা।
বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরের চেরাস এলাকার তামান এমাসে পরিচালিত সমন্বিত ‘অপস সাপু’ অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৫৬ জন বাংলাদেশিসহ মোট ২১৮ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
বিকেল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা অভিযানে বিদেশিদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত একাধিক দোকানঘর ও পার্শ্ববর্তী বাণিজ্যিক এলাকা পরিদর্শন করা হয়। এ সময় ১,০৮৭ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও জনসাধারণের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া ও কর্মভিসার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, অভিযান চলাকালে কিছু বিদেশি নাগরিক পালানোর চেষ্টা করলেও ড্রোন প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের শনাক্ত করে আটক করা সম্ভব হয়েছে।
আটককৃতদের পরবর্তী তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার জন্য সেমেনিয়াহ ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।