দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সব ধরনের দায়িত্ব পালনে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা থেকে সীমান্ত সুরক্ষা সব ক্ষেত্রেই তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও পেশাদারিত্ব ধরে রেখেছে বলে সামরিক সূত্রে জানা গেছে।
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী জাতীয় নিরাপত্তার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সীমান্ত অস্থিতিশীলতা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাসূত্র জানায়, বাহিনীর আধুনিকীকরণ, কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি–নির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম সব ক্ষেত্রে জেনারেলওয়াকার-উজ-জামানের উদ্যোগে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে দুর্যোগ মোকাবিলা, শান্তিরক্ষা মিশন এবং নাগরিক সহায়তামূলক কার্যক্রমে সেনাবাহিনীর ভূমিকা আরও শক্তিশালী হয়।
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের একাধিক বক্তৃতা এবং বার্তায় বারবার উল্লেখ করেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সংবিধান রক্ষায় সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও জাতীয় স্বার্থ এই তিন স্তম্ভেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অটল।”
এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সাইবার প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে আধুনিক যুদ্ধকৌশল পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে সেনাপ্রধানের নির্দেশনা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত দেশকে আরও সুরক্ষিত করছে। তারা মনে করেন, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্ব বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি প্রযুক্তি সক্ষম, দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল এবং সমন্বিত বাহিনীতে রূপান্তরের পথে এগিয়ে দিচ্ছে।
দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই এমন মন্তব্য করে বিভিন্ন মহল বলছে, বর্তমান সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনী ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।