২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থ পুরস্কারও ঘরে তুলেছে স্পেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি পেয়েছে ৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা।
ফাইনালে পরাজিত হয়ে রানার্স-আপ হওয়া আর্জেন্টিনা পেয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ৪০৭ কোটি।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ফিফা জানিয়েছিল, এবারের আসরে ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রাইজমানি দেওয়া হবে।
২৩তম বিশ্বকাপের মোট পুরস্কার তহবিল নির্ধারণ করা হয় ৮৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ৪৪ কোটি ডলারের তুলনায় এটি প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
গত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার, আর রানার্স-আপ ফ্রান্সের প্রাপ্তি ছিল ৩ কোটি ডলার।
এবার তৃতীয় স্থান অর্জন করা ইংল্যান্ডের ঝুলিতে গেছে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)। চতুর্থ হওয়া ফ্রান্স পেয়েছে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা।
কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড প্রত্যেকে পেয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২৩৩ কোটি টাকা।
শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া প্যারাগুয়ে, কানাডা, পর্তুগাল, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, মেক্সিকো, মিশর ও কলম্বিয়া প্রত্যেকেই পেয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা।
রাউন্ড অব ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পেয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা করে। এসব দলের মধ্যে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, আইভরি কোস্ট, ক্রোয়েশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ডিআর কঙ্গো, ঘানা, ইকুয়েডর, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইডেন, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, আলজেরিয়া, সেনেগাল ও কেপ ভার্দে।
অন্যদিকে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া উরুগুয়ে, ইরান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, স্কটল্যান্ড, সৌদি আরব, চেক প্রজাতন্ত্র, কাতার, কুরাসাও, পানামা, জর্ডান, হাইতি, উজবেকিস্তান, তিউনিসিয়া ও ইরাক প্রত্যেকেই পেয়েছে ৯০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১০ কোটি টাকা।
এ ছাড়া বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রস্তুতিমূলক ব্যয় মেটাতে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলকে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার করে অনুদান দিয়েছিল ফিফা।