আলতাফ হোসেন স্বপ্ন ছিল মালয়েশিয়া আসবে, ভিটে বাড়ী বিক্রি করে দালালের মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সির হাতে তুলে দিয়েছিল ৫ লক্ষ্য ৫০ হাজার টাকা। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ৩১ মে শুক্রবার রিক্রুটিং এজেন্সি সিন্ডিকেট ও বিমানের টিকেট সিন্ডিকেটের যাঁতাকলে পড়ে সর্বস্ব হারা হলেন আলতাফ হোসেন সহ হাজার হাজার স্বপ্নবাজ যুবক।
ওপর দিকে, হতবিহ্বল হয়ে গভীর রাতে বিমানবন্দরের এই পড়ন্ত থেকে ওই প্রান্তে ছুটেছেন ৫৮ বছর বয়োসী বৃদ্ধ শামীম আহ্সান। এই যেন বৃদ্ধ পিতার সন্তানের জন্য অপেক্ষা প্রহর। ৩১ মে রাত ১২ টার পরে অবতরণ করা বিমানের কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রবেশের বিষয়টি নিচ্ছিত করার জন্য সরকরের সংশ্লিষ্ট কমকর্তাদের বার বার অনুরোধ করে ১২ টার আগে বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে আসা কর্মী বাহি বিমানের কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রবেশ নিচ্ছিত করতে পারলেও সিন্ডিকেটের রোষানলে পড়ে বাংলাদেশে আটকে থাকা হাজার হাজার কর্মীর মালয়েশিয়া প্রবেশের বিষয়টি নিয়ে উদ্ভিগ্ন তিনি ।
হাইকমিশনার শামীম আহ্সান পিবিএন টেলিভিশনের সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন ” মালয়েশিয়া বাংলাদেশিদের একটি বড় কমিনিটি আছে , ২০২২ সাল থেকে শুরু হওয়া শ্রমবাজারে আমরা এই পৰ্যন্ত ৫ লক্ষ ২৭ হাজারের বেশি ডিমান্ড সত্যায়ন করেছি এবং ৪ লক্ষ ৭২ হাজারের বেশি কর্মী মালয়েশিয়া এসেছে। এবং আরেকটি বিষয় কথা আমি নিজ থেকে বলছি , সেটি হচ্ছে যারা আসার কথা ছিল ! আরো অনেকেই সবাই হয়তো আসতে পারছেন না বিভিন্ন জটিলতার কারণে। কিন্তু দূতাবাস থেকে আমাদের প্রচেষ্টা সর্বোচ্চ ছিল। আসলে আমরা চেয়েছি সবাই যেন আসতে পারে বিভিন্ন জটিলতার কারণে সবাই হয়তো আসছেন না , হয়তোবা আসবেনও না কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের প্রচেষ্টা চলমান থাকবে। যাদের ভিসা ইস্যু করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে যাতে ডেডলাইনটি রিলাক্স করা হয় ”
তিনি আরো বলেন, ” শ্রম বিষয়ক বিষয় গুলো আলোচনার জন্য আমাদের একটি প্লাটফ্রম আছে সেটির নাম হচ্ছে জয়েন ওয়ার্কিং কমিটি সেটি প্রতি বছর এক-একটা দেশের রাজধানীতে হওয়ার কথা ! আমরা আসা করছি পরবর্তী সভাটি রোটেশন অনুযায়ী ঢাকাতে হবে সেই লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি “।
বিস্তারিত ভিডিওতে। …….