শিরোনাম :
বেসামরিক নাগরিক ও পবিত্র স্থাপনায় হুথিদের হামলার নিন্দা সৌদি আলেম পরিষদের প্যারিসে দাঙ্গার মধ্যে চুরি হলো মেসির স্বাক্ষর করা একাধিক স্মারক বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ৪ সমঝোতা স্মারক ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যে ৫ ফুটবলার মাদক-জুয়া বরদাশত করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আলবার্টার বিচ্ছিন্নতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, কানাডার সঙ্গেই থাকতে চান ৭৭ শতাংশ ভোটার আজ থেকে টানা পাঁচদিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

মালয়েশিয়ার-ক্লাং ভ্যালি,কেপং, কুয়ালালামপুর, সেরি কেম্বাঙ্গান ও কাজাং এলাকায় একযোগে ইমিগ্রেশনের সাঁড়াশি অভিযান,যৌনকর্মীর কক্ষ থেকে বাংলাদেশী রাজনৈতিক দলের নেতা সহ আটক ৮৬ জন

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কুয়ালালামপুর:  ইমিগ্রেশন বিভাগ (JIM) শনিবার সন্ধ্যায় ক্লাং ভ্যালির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক অভিযানে ৮৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে (PATI) আটক করেছে। অভিযানটি কেপং, কুয়ালালামপুর, সেরি কেম্বাঙ্গান ও কাজাং এলাকায় একযোগে পরিচালিত হয়।

বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া অভিযানে পুত্রজায়া সদর দফতরের ৭২ জন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা অংশ নেন। মোট ১৪৬ জনকে তল্লাশি করা হয়, যার মধ্যে ৮৬ জন বিদেশি এবং ৬০ জন স্থানীয়।

আটকদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশি ১৩ জন, ইন্দোনেশিয়ান ২১ জন, ভিয়েতনামী ৯ জন, চীনা ৪ জন, থাই ৩৮ জন এবং পাকিস্তানি একজন। তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ৭৬ জন নারী, যাদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে।

এছাড়া তিনজন মালয়েশিয়ান পুরুষকে আটক করা হয়, যারা সংশ্লিষ্ট স্থানের তত্ত্বাবধায়ক বলে ধারণা করা হচ্ছে, এবং এক ভিয়েতনামী নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে যিনি সমন্বয়কারী বা “মামি” হিসেবে কাজ করছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। স্থানীয় নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন সংক্রান্ত অপরাধের জন্য ১৯টি সমন জারি করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটককৃতদের আরও তদন্তের জন্য KLIA এবং বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হবে।

অভিযানের সময় কয়েকজন বিদেশি পালানোর চেষ্টা করে, কেউ কেউ নথি লুকিয়ে রাখে, আবার কোথাও মনিটরিং সিস্টেম বা “ডোর গার্ড” ব্যবহার করে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। কিছু স্থানের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ—যেমন ধারালো লোহা, ভাঙা কাঁচ ও অসমতল মেঝে—তল্লাশি কার্যক্রমকে জটিল করে তোলে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বৈধ পরিচয়পত্র বহন না করা, পাসের শর্ত ভঙ্গ, মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থাকা এবং ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার, যা ইমিগ্রেশন আইনের লঙ্ঘন।

অভিযানটি ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইন ২০০৭-এর অধীনে পরিচালিত হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জনগণ ও নিয়োগকর্তাদের সতর্ক করে দিয়েছে যে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় বা রক্ষা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। জনগণকে আহ্বান জানানো হয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের সম্পর্কে তথ্য থাকলে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
Translate »