মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম সেলাঙ্গরে শূকর খামার পরিচালনা নিয়ে সুলতান শরাফুদ্দিন ইদ্রিস শাহের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেলাঙ্গরে শূকর খামারের কারণে জনস্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাই এ বিষয়ে সুলতানের উদ্বেগ প্রকাশের পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) ৪৮তম আসিয়ান সম্মেলন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু কৃষি কার্যক্রমের ওপর যথাযথ নজরদারি ও আইন প্রয়োগের অভাব উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, “অতিরিক্ত অনেক কিছুই জনস্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে, কিন্তু সেগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না।”
আনোয়ার ইব্রাহিম স্পষ্টভাবে জানান, আবাসিক এলাকার পাশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে শূকর খামার পরিচালনার তিনি বিরোধী। বিশেষ করে ক্লাংয়ের মতো গ্রাম ও আবাসিক এলাকার কাছাকাছি খামারগুলো বড় সমস্যা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মূলত যেকোনো স্থানে শূকর খামার স্থাপনের বিষয়ে উদ্বিগ্ন। এসব খামার অবশ্যই আবাসিক এলাকা থেকে দূরে হতে হবে এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণের আওতায় পরিচালিত হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু মুসলিমরাই নয়, চীনা সম্প্রদায়ের লোকজনও এসব খামারের খুব কাছে বসবাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তাই খামারগুলো কিছুটা দূরে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।”
আনোয়ার জোর দিয়ে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং পরিবেশ দূষণ শূন্যে নামিয়ে আনতে পারলে সরকার সরাসরি আবেদন বাতিল করতে পারে না। তবে আপাতত বিষয়টি স্থগিত রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সুলতান শরাফুদ্দিনের ব্যক্তিগত সচিব দাতুক মোহামাদ মুনির বানি এক বিবৃতিতে জানান, সেলাঙ্গরের কোনো জেলাতেই শূকর খামার কার্যক্রম অনুমোদনের বিপক্ষে সুলতান তাঁর অবস্থানে অনড় রয়েছেন।