শিরোনাম :
ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় ‘অপারেশন মেলানোপ্লাস’-এর আওতায় মাদকের বড় চক্রকে আটক করেছে পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার মাদক চোরাচালান মামলায় দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ নেপালে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক তথ্য দিবে উইস্মা পুত্রা: নাদমা সরকারি খরচের কার্যকর বাস্তবায়ন ও সুফল নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঐক্যই সরকারের স্থিতিশীলতার ভিত্তি: আনোয়ার ভর্তুকির চাপে সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানার আহ্বান আনোয়ারের কোটা নির্ভরতা ছেড়ে মালয় ও বুমিপুত্রদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার আহ্বান উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কেদাহতে চালচাষীদের সার সরবরাহে বিলম্ব: এমএসিসির তদন্ত শুরু

মালয়েশিয়ায় দেহব্যবসার অভিযোগে ইমিগ্রশনের অভিযানে ৮ বাংলাদেশি-সহ আটক ২১ জন

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

কুয়ালালামপুর, ২ ডিসেম্বর : মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন বিভাগ (Jabatan Imigresen Malaysia, JIM) ক্লাং সেনট্রাল, সেলাঙ্গর-এ অবস্থিত একটি তিন তলা ভবনে পরিচালিত বিদেশী নাগরিকদের যৌনপেশা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানটি ১ ডিসেম্বর ২০২৫ রাত ১০:২৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি জনসাধারণের অভিযোগ ও দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

অভিযানে ১৪ জন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা অংশ নেন এবং ২১ জন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী বিদেশী নাগরিক, ১ জন স্থানীয় পুরুষ এবং ২ জন স্থানীয় ছেলে রয়েছে। অভিযানে ৮ জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং ৯ জন ভিয়েতনামী নারী, বয়স ২১–৩২, বিভিন্ন ইমিগ্রেশন-related অপরাধে আটক হন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ৬(১)(c) এবং ১৫(১)(c) এবং ইমিগ্রেশন নিয়ম ১৯৬৩-এর ধারা ৩৯(b)-এর অধীনে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানে একজন গ্রাহককে সাক্ষী হিসেবে নোটিশ (ফর্ম ২৯) দেওয়া হয়েছে।

তদন্তে দেখা গেছে, এই যৌনপেশা সংস্থা একটি রিয়েল এস্টেট ম্যানেজমেন্ট ও ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানির আড়ালে পরিচালিত হচ্ছিল। একটি বাংলাদেশি পুরুষ ‘ক্যাপ্টেন’ হিসেবে ভবনের কার্যক্রম তদারকি করছিল। গ্রাহকরা একবারের সেবা জন্য RM ৫০ থেকে RM ৮০ প্রদান করতেন, আর একজন বিদেশী নারী দিনে আনুমানিক RM৪০০ থেকে –RM ৬০০ উপার্জন করতেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ‘ক্যাপ্টেন’কে স্থানীয় এক ব্যক্তি ‘কেভিন’ নিযুক্ত করেছিলেন। রেইডে বিভিন্ন কনডোম ও লুব্রিকেন্টসহ যৌন সম্পর্কের উপকরণও জব্দ করা হয়।

সকল বিদেশী নাগরিককে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ৫১(৫)(b)-এর অধীনে আটক করে পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতো জাকারিয়া বিন শাবান উল্লেখ করেছেন, অবৈধ বিদেশী, ওভারস্টেয়ার বা ভিসা দূর্ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগ কোনো ছাড় দেবে না এবং যারা অবৈধভাবে তাদের চাকরি দেয় বা আশ্রয় দেয় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Developer Vom Tech
Translate »