শিরোনাম :
বেসামরিক নাগরিক ও পবিত্র স্থাপনায় হুথিদের হামলার নিন্দা সৌদি আলেম পরিষদের প্যারিসে দাঙ্গার মধ্যে চুরি হলো মেসির স্বাক্ষর করা একাধিক স্মারক বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ৪ সমঝোতা স্মারক ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যে ৫ ফুটবলার মাদক-জুয়া বরদাশত করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আলবার্টার বিচ্ছিন্নতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, কানাডার সঙ্গেই থাকতে চান ৭৭ শতাংশ ভোটার আজ থেকে টানা পাঁচদিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

বিদেশিদের লক্ষ্য করে পাসপোর্টে জাল সিল মারার সিন্ডিকেটের পেছনে এক নারী: সেলাঙ্গর পুলিশের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

পিবিএন টিভি ২৪ রিপোর্ট:
  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫

হুলু সেলাঙ্গর, ৬ অক্টোবর:  সেলাঙ্গর পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশিদের পাসপোর্টে জাল অভিবাসন সিল (ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্প) দেওয়ার এক অপরাধ চক্রের মূলহোতা এক স্থানীয় নারী। এ সিন্ডিকেটটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের লক্ষ্য করে জাল সিল বিক্রি করছিল।

সেলাঙ্গর পুলিশের প্রধান দাতুক শাজেলি কাহার সোমবার (৬ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তদন্তে দেখা গেছে যে, সিন্ডিকেটটি চলতি বছরের শুরু থেকেই শাহ আলামে বৈধ দোকানঘর ব্যবহার করে বিদেশিদের আকৃষ্ট করছিল। প্রতিটি জাল সিলের জন্য ৫০০ রিঙ্গিত করে নেওয়া হতো।

তিনি আরও বলেন, “ওই দোকানের মালিক একজন স্থানীয় নারী, যিনি reportedly এক ফুটবলারের শাশুড়ি। সন্দেহ করা হচ্ছে, তিনি তার বিদেশি স্বামীকে সহযোগিতা করছিলেন যিনি আগেও গ্রেপ্তার হয়েছেন।”

গত সপ্তাহে গোমবাক ও শাহ আলামে দুটি অভিযানে পুলিশ চার বিদেশি পুরুষ ও এক স্থানীয় নারীকে (বয়স ৩৯ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে) গ্রেপ্তার করে। তারা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন জাল নথি, ইমিগ্রেশন সিল ও সরঞ্জাম, যা যাচাইয়ের জন্য মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, এই সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ড উদঘাটিত হয়েছে গোমবাক জেলা পুলিশের বাণিজ্যিক অপরাধ তদন্ত বিভাগ-এর গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে। তদন্তে দেখা গেছে, এই জাল সিল ব্যবহার করে বিদেশিরা মালয়েশিয়ায় থাকার সময়সীমা লঙ্ঘনের পর আইনি ব্যবস্থা থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন।

ঘটনাটি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় (প্রতারণা) তদন্তাধীন, যা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

আরো পড়ুন

© All rights reserved © pbntv24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
Translate »